আরও ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

 

আট বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে আরও চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১২১ দশমিক ৭০ টাকা থেকে ১২১ দশমিক ৭৫ টাকা দরে কেনা হয়েছে এসব ডলার। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাজারে বর্তমানে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। এ কারণেই রিজার্ভ থেকে বিক্রি না করে বরং বাজার থেকে ডলার কেনা হচ্ছে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচ দফায় ডলার কিনেছিল। গত ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১ দশমিক ৫০ টাকা দরে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ১৫ জুলাই একই দরে ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই ১২১ দশমিক ৯৫ টাকা দরে ১ কোটি ডলার, ৭ আগস্ট ১২১ দশমিক ৩৫ থেকে ১২১ দশমিক ৫০ টাকা দরে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১০ আগস্ট ১১টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১ দশমিক ৪৭ থেকে ১২১ দশমিক ৫০ টাকা দরে মোট ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

ডলারের দাম হঠাৎ করে এবং অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া বা দরপতন হওয়া দুটিই ক্ষতিকর, যা সরাসরি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলে। সর্বোপরি অর্থনীতিতে এর প্রভাব রয়েছে। বর্তমানে দেশে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং বিদেশি দায় পরিশোধও সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে ডলারের তীব্র চাহিদা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এর জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও তাদের চাহিদার অতিরিক্ত ডলার বিক্রি করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এখন কৌশলগত অংশীদারত্বে

Verified by MonsterInsights

আরও ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

আপলোডের সময় : 09:44:25 pm, Tuesday, 2 September 2025

 

আট বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে আরও চার কোটি ৭৫ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১২১ দশমিক ৭০ টাকা থেকে ১২১ দশমিক ৭৫ টাকা দরে কেনা হয়েছে এসব ডলার। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাজারে বর্তমানে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। এ কারণেই রিজার্ভ থেকে বিক্রি না করে বরং বাজার থেকে ডলার কেনা হচ্ছে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচ দফায় ডলার কিনেছিল। গত ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১ দশমিক ৫০ টাকা দরে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ১৫ জুলাই একই দরে ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই ১২১ দশমিক ৯৫ টাকা দরে ১ কোটি ডলার, ৭ আগস্ট ১২১ দশমিক ৩৫ থেকে ১২১ দশমিক ৫০ টাকা দরে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১০ আগস্ট ১১টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১ দশমিক ৪৭ থেকে ১২১ দশমিক ৫০ টাকা দরে মোট ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

ডলারের দাম হঠাৎ করে এবং অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া বা দরপতন হওয়া দুটিই ক্ষতিকর, যা সরাসরি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলে। সর্বোপরি অর্থনীতিতে এর প্রভাব রয়েছে। বর্তমানে দেশে খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং বিদেশি দায় পরিশোধও সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে ডলারের তীব্র চাহিদা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এর জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও তাদের চাহিদার অতিরিক্ত ডলার বিক্রি করছে।