হাজী সেলিমের বাড়ির বেসমেন্ট থেকে ৬টি গাড়ি উদ্ধার

রাজধানীর আজিমপুর দায়রা শরীফ আবাসিক এলাকায় হাজী সেলিমের ‘মদিনা ডেভেলপার’ কোম্পানির নির্মিত একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৬টি গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে গুলশান আরা মাসুদা টাওয়ার নামে ভবনটির ১২তলায় এ অভিযান শুরু হয়ে তা এখনও চলছে। ভবনটির বেসমেন্টে একটি গোপন কক্ষে ৩টি বিলাসবহুল গাড়িসহ ৬টি গাড়ি পাওয়া যায়। এর মধ্যে চারটি গাড়ির নিবন্ধনের তথ্য আসে সময় সংবাদের হাতে এর মধ্যে বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ডের সাদা গাড়িটি হাজী সেলিমে। একটি তার ডেভেলপার কোম্পানি মদিনার ট্রেডিং করপোরেশনের নামে। বাকি একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং দুই ব্যক্তির নামে। তবে গাড়িগুলোর কাগজপত্র ও চাবি এখনও উদ্ধার হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভবনের ম্যানেজারকে নেয়া হয়েছে সেনা ক্যাম্পে। অভিযান চলাকালে কাউকে বের হতে দেয়া হয়নি ভবন থেকে। তবে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ভাড়াটিয়াদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও যৌথ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে চলে এ অভিযান। দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার অভিযান শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলেই চলে যান যৌথবাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদরদফতর, ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে

Verified by MonsterInsights

হাজী সেলিমের বাড়ির বেসমেন্ট থেকে ৬টি গাড়ি উদ্ধার

আপলোডের সময় : 10:18:15 pm, Sunday, 28 September 2025

রাজধানীর আজিমপুর দায়রা শরীফ আবাসিক এলাকায় হাজী সেলিমের ‘মদিনা ডেভেলপার’ কোম্পানির নির্মিত একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৬টি গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে গুলশান আরা মাসুদা টাওয়ার নামে ভবনটির ১২তলায় এ অভিযান শুরু হয়ে তা এখনও চলছে। ভবনটির বেসমেন্টে একটি গোপন কক্ষে ৩টি বিলাসবহুল গাড়িসহ ৬টি গাড়ি পাওয়া যায়। এর মধ্যে চারটি গাড়ির নিবন্ধনের তথ্য আসে সময় সংবাদের হাতে এর মধ্যে বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ডের সাদা গাড়িটি হাজী সেলিমে। একটি তার ডেভেলপার কোম্পানি মদিনার ট্রেডিং করপোরেশনের নামে। বাকি একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং দুই ব্যক্তির নামে। তবে গাড়িগুলোর কাগজপত্র ও চাবি এখনও উদ্ধার হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভবনের ম্যানেজারকে নেয়া হয়েছে সেনা ক্যাম্পে। অভিযান চলাকালে কাউকে বের হতে দেয়া হয়নি ভবন থেকে। তবে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ভাড়াটিয়াদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও যৌথ বাহিনীর তত্ত্বাবধানে চলে এ অভিযান। দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার অভিযান শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলেই চলে যান যৌথবাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।