৬০ লাখ টাকা মূল্যের ৩টি তক্ষকসহ একজন গ্রেফতার

মেহেরপুরে প্রায় ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ৩টি তক্ষকসহ আব্দুল আজিজ (৬৭) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার সরিষাডাঙ্গা থেকে বন্যপ্রাণীসহ আব্দুল আজিজকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল আজিজ সরিষাডাঙ্গা গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।

আব্দুল আজিজ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগে খাগড়াছড়ির পাহাড়ের গাছ থেকে ৩টি তক্ষক ধরে আনেন এবং নিজ বাড়িতে প্লস্টিকের ঝুড়িতে রেখে লালন পালন করছিলেন।

সিপিসি ৩ মেহেরপুর র‍্যাব-১২ গাংনী ক্যাম্পের কমান্ডার ওয়াহিদুজ্জামান (এস) বিএন গণমাধ্যমকে জানান, বুধাবার রাত ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি দল চুয়াডাঙ্গা জেলার সরিষাডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আব্দুল আজিজ নামের একজনকে গ্রেফতার করে।

সেই সঙ্গে তার হেফাজতে থাকা ৩টি তক্ষক উদ্ধার করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্যে (কথিত) প্রায় ৬০ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত আব্দুল আজিজ অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী ক্রয় বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা শেষে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সৌপর্দ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্সে ১৫ দিনে মিলল ৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা

Verified by MonsterInsights

৬০ লাখ টাকা মূল্যের ৩টি তক্ষকসহ একজন গ্রেফতার

আপলোডের সময় : 09:26:17 am, Saturday, 22 November 2025

মেহেরপুরে প্রায় ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ৩টি তক্ষকসহ আব্দুল আজিজ (৬৭) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার সরিষাডাঙ্গা থেকে বন্যপ্রাণীসহ আব্দুল আজিজকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল আজিজ সরিষাডাঙ্গা গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।

আব্দুল আজিজ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কয়েক বছর আগে খাগড়াছড়ির পাহাড়ের গাছ থেকে ৩টি তক্ষক ধরে আনেন এবং নিজ বাড়িতে প্লস্টিকের ঝুড়িতে রেখে লালন পালন করছিলেন।

সিপিসি ৩ মেহেরপুর র‍্যাব-১২ গাংনী ক্যাম্পের কমান্ডার ওয়াহিদুজ্জামান (এস) বিএন গণমাধ্যমকে জানান, বুধাবার রাত ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি দল চুয়াডাঙ্গা জেলার সরিষাডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আব্দুল আজিজ নামের একজনকে গ্রেফতার করে।

সেই সঙ্গে তার হেফাজতে থাকা ৩টি তক্ষক উদ্ধার করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্যে (কথিত) প্রায় ৬০ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত আব্দুল আজিজ অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী ক্রয় বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা শেষে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সৌপর্দ করা হয়েছে।