বগুড়ায় ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

বগুড়া শহরের ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে রবিন (২৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৫ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিন শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকার মো. মিরাজের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে রবিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত রবিনের ভাইয়ের দাবি, এলাকাভিত্তিক আধিপত্য ও পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে রবিনকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নদীর দুই পারের লোকজন মিলে আমার ভাইকে মারছে। এর আগেও ওর ওপর হামলা হয়েছিল, যা নিয়ে মামলাও চলছে। যারা হামলা করেছে তাদের কয়েকজনকে আমরা চিনি।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্থানীয় এক কবরস্থানের আতাফল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, খবর পেয়ে আমরা শজিমেক হাসপাতালে গিয়ে রবিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হই। ঘটনাস্থল থেকে একটি ভাঙা হকিস্টিক ও চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি ও পিবিআইয়ের ফরেনসিক টিমকে ডাকা হয়েছে আলামত সংগ্রহের জন্য।

তিনি আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজনদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এখন কৌশলগত অংশীদারত্বে

Verified by MonsterInsights

বগুড়ায় ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

আপলোডের সময় : 07:58:34 am, Tuesday, 7 April 2026

বগুড়া শহরের ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে রবিন (২৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৫ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিন শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকার মো. মিরাজের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে রবিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত রবিনের ভাইয়ের দাবি, এলাকাভিত্তিক আধিপত্য ও পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে রবিনকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নদীর দুই পারের লোকজন মিলে আমার ভাইকে মারছে। এর আগেও ওর ওপর হামলা হয়েছিল, যা নিয়ে মামলাও চলছে। যারা হামলা করেছে তাদের কয়েকজনকে আমরা চিনি।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্থানীয় এক কবরস্থানের আতাফল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, খবর পেয়ে আমরা শজিমেক হাসপাতালে গিয়ে রবিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হই। ঘটনাস্থল থেকে একটি ভাঙা হকিস্টিক ও চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি ও পিবিআইয়ের ফরেনসিক টিমকে ডাকা হয়েছে আলামত সংগ্রহের জন্য।

তিনি আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজনদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।