সাংবাদিকতা পেশার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা,মহান পেশাকে কলঙ্কিত 

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরাই ঠেলে দিচ্ছি নিশ্চিত এক অন্ধকার জগতের দ্বারপ্রান্তে।মুক্তি মিলবে কি ওইসব ভবিষ্যতের সোনালী উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলোর।

সম্প্রতি ২১বোতল ফেনসিডিল সহ গ্রেফতার হওয়া একটি অনলাইন প্রচার মাধ্যমের সম্পাদক ও মাদক ব‍্যবসায়ী সাংবাদিক সালমান কবির হৃদয়। এরকম অসংখ্য সালমান কবির হৃদয় এই সমাজে লুকায়িত আছে সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে যা কিনা উপলব্দি করা বড়ই কঠিন। এদের যারা রুখবে তারাও হয়ত অনেকেই পড়ে আছে বিভিন্ন গেরাকলে। ফলে দিন দিন বেড়েই চলেছে এমন সাংবাদিক পরিচয় বহনকারী হাজারো অপসাংবাদিক। যাদের কাছে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে অবৈধভাবে উর্পাজন করা।

কোন কোন সাংবাদিক চোখের পলকেই বনে যাচ্ছেন একটি প্রচার মাধ্যমের সম্পাদক। প্রতিদিন তৈরি করছেন অসংখ্য অনভিজ্ঞ লেখক নামের হলুদ সাংবাদিক। যারা কিনা কোন প্রকার যাচাইবাছাই ছাড়াই সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে গলায় রং বেরংয়ের কার্ড ঝুলিয়ে মাঠে ছড়িয়ে দিচ্ছেন একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসাবে। আবার এদের নিয়েই নিমিষেই তৈরি হচ্ছে অসংখ্য নামে বেনামে বহু সাংবাদিক সংগঠন। যেখানে কিনা কেবল যেকোন প্রচার মাধ্যমের কার্ড দেখালেই পাওয়া যায় পদ পদবীসহ নেতৃত্ব।

এজন্যই বলতে হচ্ছে, রক্ষক হয়ে ভক্ষক হলে কি হবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের? কে দেখাবে তাদেরকে সঠিকভাবে জীবিকা নির্বাহের উত্তম পন্থা?

অল্প সময়ের ব‍্যবধানে গণমাধ্যমকর্মীর কাজ করতে গিয়ে বাস্তবতা থেকে উপলব্দি করতে সক্ষম হয়েছি, সাংবাদিকতা করে শুধু নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করাই নয়। বরং পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্র বিশেষে করা যায় নিরব চাঁদাবাজি। বেলাশেষে আমরা সবাই স্ব-স্ব কর্মে নিয়োজিত থাকার পরেও আমাদের চরিত্র থেকে যায় অপরিবর্তনশীল হয়ে। অদৌ পরিবর্তনের কোন পন্থা তৈরি হবে কিনা তারও নেই কোন নিশ্চয়তা।

সাংবাদিকরা কারো কাছে ভয়ের কারণ হয়ে কেন থাকবে? কবে এই সমাজের মানুষ একজন গণমাধ্যমকর্মীর কাছে তাদের মন উজার করে প্রকাশ করবে তাদের ভিতরের সকল অনুভূতিগুলো?

তাহলে ভবিষ্যৎতে সাহসী সাংবাদিক কি ভাবে তৈরি হবে?

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণহত্যায় কুষ্টিয়ার হানিফসহ চারজনের রায় বৃহস্পতিবার

Verified by MonsterInsights

সাংবাদিকতা পেশার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা,মহান পেশাকে কলঙ্কিত 

আপলোডের সময় : 05:00:57 am, Friday, 1 March 2024

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরাই ঠেলে দিচ্ছি নিশ্চিত এক অন্ধকার জগতের দ্বারপ্রান্তে।মুক্তি মিলবে কি ওইসব ভবিষ্যতের সোনালী উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলোর।

সম্প্রতি ২১বোতল ফেনসিডিল সহ গ্রেফতার হওয়া একটি অনলাইন প্রচার মাধ্যমের সম্পাদক ও মাদক ব‍্যবসায়ী সাংবাদিক সালমান কবির হৃদয়। এরকম অসংখ্য সালমান কবির হৃদয় এই সমাজে লুকায়িত আছে সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে যা কিনা উপলব্দি করা বড়ই কঠিন। এদের যারা রুখবে তারাও হয়ত অনেকেই পড়ে আছে বিভিন্ন গেরাকলে। ফলে দিন দিন বেড়েই চলেছে এমন সাংবাদিক পরিচয় বহনকারী হাজারো অপসাংবাদিক। যাদের কাছে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে অবৈধভাবে উর্পাজন করা।

কোন কোন সাংবাদিক চোখের পলকেই বনে যাচ্ছেন একটি প্রচার মাধ্যমের সম্পাদক। প্রতিদিন তৈরি করছেন অসংখ্য অনভিজ্ঞ লেখক নামের হলুদ সাংবাদিক। যারা কিনা কোন প্রকার যাচাইবাছাই ছাড়াই সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে গলায় রং বেরংয়ের কার্ড ঝুলিয়ে মাঠে ছড়িয়ে দিচ্ছেন একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসাবে। আবার এদের নিয়েই নিমিষেই তৈরি হচ্ছে অসংখ্য নামে বেনামে বহু সাংবাদিক সংগঠন। যেখানে কিনা কেবল যেকোন প্রচার মাধ্যমের কার্ড দেখালেই পাওয়া যায় পদ পদবীসহ নেতৃত্ব।

এজন্যই বলতে হচ্ছে, রক্ষক হয়ে ভক্ষক হলে কি হবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের? কে দেখাবে তাদেরকে সঠিকভাবে জীবিকা নির্বাহের উত্তম পন্থা?

অল্প সময়ের ব‍্যবধানে গণমাধ্যমকর্মীর কাজ করতে গিয়ে বাস্তবতা থেকে উপলব্দি করতে সক্ষম হয়েছি, সাংবাদিকতা করে শুধু নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করাই নয়। বরং পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্র বিশেষে করা যায় নিরব চাঁদাবাজি। বেলাশেষে আমরা সবাই স্ব-স্ব কর্মে নিয়োজিত থাকার পরেও আমাদের চরিত্র থেকে যায় অপরিবর্তনশীল হয়ে। অদৌ পরিবর্তনের কোন পন্থা তৈরি হবে কিনা তারও নেই কোন নিশ্চয়তা।

সাংবাদিকরা কারো কাছে ভয়ের কারণ হয়ে কেন থাকবে? কবে এই সমাজের মানুষ একজন গণমাধ্যমকর্মীর কাছে তাদের মন উজার করে প্রকাশ করবে তাদের ভিতরের সকল অনুভূতিগুলো?

তাহলে ভবিষ্যৎতে সাহসী সাংবাদিক কি ভাবে তৈরি হবে?