পাকিস্তান টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করছে, নির্বাচকদের তোপ দাগলেন নাসের হুসেইন

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) দারুণ ছন্দে থাকা সাইম আইয়ুবকে হুট করেই পাকিস্তান টেস্ট দলে ডাকা হয়। জ্যামাইকা কিংসম্যানের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকানো এই ব্যাটার সাদা পোশাকের ক্রিকেটে এজবাস্টন টেস্টে ফিরে দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন। সাইমের এই ব্যর্থতার জন্য পাকিস্তান নির্বাচকদের কাঠগড়ায় তুলেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন। তাঁর মতে, টেস্ট ক্রিকেটের প্রস্তুতির তোয়াক্কা না করে এভাবে কাউকে দলে নেওয়াটা এই ফরম্যাটের প্রতি একধরনের অসম্মান ও অবহেলা।

নাসের হুসেইন স্কাই স্পোর্টসকে বলেন, সাইম গত ১১ মাসে কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেননি এবং মাত্র ১০ দিন আগেও সিপিএল খেলছিলেন। এমন একজন খেলোয়াড়কে বিদেশের কন্ডিশন থেকে উড়িয়ে এনে ডিউক বলের বিপক্ষে টেস্ট খেলানোটা অযৌক্তিক। একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডও মনে করেন, সাইমকে ওপেনিংয়ে নামানোই ভুল সিদ্ধান্ত ছিল এবং দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর তাঁর আর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নাসের আরও বলেন, লর্ডস টেস্টের পর দল থেকে সাত ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এমনকি আগের ম্যাচে ৫ উইকেট পাওয়া বোলারকেও বাদ পড়তে হয়েছে। দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও বরখাস্ত করা হয়েছে। নাসেরের মতে, সিরিজের মাঝপথে সতীর্থ ও রুমমেটদের এভাবে দল থেকে বাদ দেওয়ার ফলে দলের মৌলিক মূল্যবোধ নষ্ট হয়ে গেছে। খেলোয়াড়রা তখন দলের চেয়ে নিজের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স নিয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ে, যা দলের ঐক্য নষ্ট করে।

এদিকে, এত পরিবর্তনের পরও পাকিস্তান দল এজবাস্টন টেস্টে ইনিংস হারের শঙ্কায় রয়েছে। তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা দলটি এখনো কোনো ইনিংসে ২০০ রানের গণ্ডি পার করতে পারেনি। নিজেদের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছিল, জবাবে ইংল্যান্ড ৪৫৩ রান সংগ্রহ করে।

গতকাল বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় দিনের খেলা আগেভাগে শেষ হওয়ার সময় পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৫২ রান। ইনিংস পরাজয় এড়াতে তাদের এখনো ২৬৮ রান প্রয়োজন। পাকিস্তানের এই শোচনীয় দশা দেখে অনেকেই মনে করছেন, তিন দিনের মধ্যেই ম্যাচটি শেষ হয়ে যেতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দলে নতুন করে নেওয়া হয়েছে সাতজনকে, এর মধ্যে পাঁচজনই টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাকিস্তানের এমন পরিস্থিতির জন্য নাসের দায় দিচ্ছেন ম্যানেজমেন্টকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে সাইম আইয়ুবকে দেখলে মনে হয়, অনেকক্ষণ ফিল্ডিংয়ে থাকার পর হঠাৎ ব্যাটিং করতে গিয়ে পুরোপুরি মনোযোগী না থাকার একটা ক্ল্যাসিক উদাহরণ।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যে ক্রিকেটাররা এখন নিজেরাই দলের মালিক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নাসের বলে যান, ‘আসল কথা হলো, ওর এখানে থাকাই উচিত ছিল না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর ভাষ্য,‘খেলোয়াড়দেরই শেষ পর্যন্ত ভুগতে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সত্যি বলতে তাঁকে ওপেনিং করানোই ঠিক হয়নি।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নাসের মনে করেন, পাকিস্তানের এই দলটা দল হিসেবে খেলছে না এবং এর পেছনের কারণও তুলে ধরেন সাবেক এই ব্যাটসম্যান।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত এক

Verified by MonsterInsights

পাকিস্তান টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করছে, নির্বাচকদের তোপ দাগলেন নাসের হুসেইন

আপলোডের সময় : 11:07:27 am, Friday, 11 September 2026

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) দারুণ ছন্দে থাকা সাইম আইয়ুবকে হুট করেই পাকিস্তান টেস্ট দলে ডাকা হয়। জ্যামাইকা কিংসম্যানের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকানো এই ব্যাটার সাদা পোশাকের ক্রিকেটে এজবাস্টন টেস্টে ফিরে দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন। সাইমের এই ব্যর্থতার জন্য পাকিস্তান নির্বাচকদের কাঠগড়ায় তুলেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন। তাঁর মতে, টেস্ট ক্রিকেটের প্রস্তুতির তোয়াক্কা না করে এভাবে কাউকে দলে নেওয়াটা এই ফরম্যাটের প্রতি একধরনের অসম্মান ও অবহেলা।

নাসের হুসেইন স্কাই স্পোর্টসকে বলেন, সাইম গত ১১ মাসে কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেননি এবং মাত্র ১০ দিন আগেও সিপিএল খেলছিলেন। এমন একজন খেলোয়াড়কে বিদেশের কন্ডিশন থেকে উড়িয়ে এনে ডিউক বলের বিপক্ষে টেস্ট খেলানোটা অযৌক্তিক। একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডও মনে করেন, সাইমকে ওপেনিংয়ে নামানোই ভুল সিদ্ধান্ত ছিল এবং দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ার পর তাঁর আর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নাসের আরও বলেন, লর্ডস টেস্টের পর দল থেকে সাত ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এমনকি আগের ম্যাচে ৫ উইকেট পাওয়া বোলারকেও বাদ পড়তে হয়েছে। দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও বরখাস্ত করা হয়েছে। নাসেরের মতে, সিরিজের মাঝপথে সতীর্থ ও রুমমেটদের এভাবে দল থেকে বাদ দেওয়ার ফলে দলের মৌলিক মূল্যবোধ নষ্ট হয়ে গেছে। খেলোয়াড়রা তখন দলের চেয়ে নিজের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স নিয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ে, যা দলের ঐক্য নষ্ট করে।

এদিকে, এত পরিবর্তনের পরও পাকিস্তান দল এজবাস্টন টেস্টে ইনিংস হারের শঙ্কায় রয়েছে। তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা দলটি এখনো কোনো ইনিংসে ২০০ রানের গণ্ডি পার করতে পারেনি। নিজেদের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছিল, জবাবে ইংল্যান্ড ৪৫৩ রান সংগ্রহ করে।

গতকাল বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় দিনের খেলা আগেভাগে শেষ হওয়ার সময় পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৫২ রান। ইনিংস পরাজয় এড়াতে তাদের এখনো ২৬৮ রান প্রয়োজন। পাকিস্তানের এই শোচনীয় দশা দেখে অনেকেই মনে করছেন, তিন দিনের মধ্যেই ম্যাচটি শেষ হয়ে যেতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দলে নতুন করে নেওয়া হয়েছে সাতজনকে, এর মধ্যে পাঁচজনই টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাকিস্তানের এমন পরিস্থিতির জন্য নাসের দায় দিচ্ছেন ম্যানেজমেন্টকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে সাইম আইয়ুবকে দেখলে মনে হয়, অনেকক্ষণ ফিল্ডিংয়ে থাকার পর হঠাৎ ব্যাটিং করতে গিয়ে পুরোপুরি মনোযোগী না থাকার একটা ক্ল্যাসিক উদাহরণ।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যে ক্রিকেটাররা এখন নিজেরাই দলের মালিক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নাসের বলে যান, ‘আসল কথা হলো, ওর এখানে থাকাই উচিত ছিল না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর ভাষ্য,‘খেলোয়াড়দেরই শেষ পর্যন্ত ভুগতে হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সত্যি বলতে তাঁকে ওপেনিং করানোই ঠিক হয়নি।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নাসের মনে করেন, পাকিস্তানের এই দলটা দল হিসেবে খেলছে না এবং এর পেছনের কারণও তুলে ধরেন সাবেক এই ব্যাটসম্যান।