
গাইবান্ধা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বানিয়াজান এলাকায় সার কারখানার পাশে আলাই নদীর ওপর নির্মিত কাঠের সাঁকোটি কচুরিপানার চাপে ভেঙে পড়েছে। এতে বোয়ালী ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলা পরিষদের বরাদ্দে প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। তবে নির্মাণকাজে নিম্নমানের কাঠ ও বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। নির্মাণের কয়েক মাসের মধ্যেই কচুরিপানার চাপে সাঁকোটির বড় একটি অংশ ভেঙে যায় বলে দাবি স্থানীয়দের।
তাদের ভাষ্য, এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ নদী পারাপার করতেন। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় এখন কলাগাছের তৈরি ভেলার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের। এ জন্য জনপ্রতি যাওয়া-আসায় প্রায় ১০ টাকা করে দিতে হচ্ছে—যেতে ৫ টাকা এবং আসতে ৫ টাকা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি অর্থে নির্মিত সাঁকোটি তারা এক বছরও ব্যবহার করতে পারেননি। অথচ এর আগে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে তিন থেকে চার বছর ধরে নির্বিঘ্নে চলাচল করেছেন তারা।
দ্রুত সাঁকোটি পুনর্নির্মাণ করে নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে আগের নির্মাণকাজের মান ও ব্যবহৃত উপকরণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—সরকারি অর্থে নির্মিত একটি সাঁকো যদি কয়েক মাসের মধ্যেই ভেঙে যায়, তাহলে এর নির্মাণমান, উপকরণের মান এবং কাজের তদারকি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
মোরশেদ মিয়া, গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রতিনিধি 






















