কাতার চ্যারিটি ও রফিক অ্যাপের যৌথ মানবিক উদ্যোগ চালু

কাতারের সুবিধাবঞ্চিত ও স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর দৈনন্দিন প্রয়োজনীয়তা পূরণে রফিক অ্যাপ ও কাতার চ্যারিটি যৌথভাবে একটি নতুন ডিজিটাল অনুদান প্রকল্প চালু করেছে। ‘শেয়ার দ্য রিওয়ার্ড’ নামের এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে যে কেউ রফিক অ্যাপ ব্যবহার করে সরাসরি সহায়তা প্রদান করতে পারবেন। এই অনুদান খাদ্যপণ্য, পোশাক, শিক্ষা উপকরণ এবং চিকিৎসার মতো জরুরি খাতে ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পটির কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে জানা যায়, কাতার চ্যারিটির অধীনে থাকা আকরাবুন সেন্টার মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই ও কেস স্টাডির মাধ্যমে প্রকৃত অসহায় পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করবে। এরপর তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সহায়তার চাহিদাগুলো নির্ধারণ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সুবিধা নিয়ে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই স্বচ্ছতার সাথে তাদের অনুদান পৌঁছে দিতে পারবেন।

উদ্যোগটির গুরুত্ব তুলে ধরে আকরাবুন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ফয়সাল রশিদ আল-ফুহাইদা বলেন, প্রযুক্তি এবং সঠিক অংশীদারিত্বের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সংহতির চেতনা আরও শক্তিশালী হবে।

প্রযুক্তি কেবল বাণিজ্য বা সেবা প্রদানের মাধ্যম হওয়া উচিত নয়, বরং এটি সমাজের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রফিকের সিইও আব্দুল্লাহ থামের আল-হুমাইদি। তিনি জানান, এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা এখন খুব সহজেই সসম্মানে সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারবেন। কাতার চ্যারিটি ও রফিকের এই যৌথ প্রয়াস বেসরকারি খাত ও দাতব্য সংস্থার মধ্যকার অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে একটি আদর্শ মডেল হিসেবে গণ্য হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

কাতার চ্যারিটি ও রফিক অ্যাপের যৌথ মানবিক উদ্যোগ চালু

আপলোডের সময় : 10:35:57 am, Wednesday, 30 September 2026

কাতারের সুবিধাবঞ্চিত ও স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর দৈনন্দিন প্রয়োজনীয়তা পূরণে রফিক অ্যাপ ও কাতার চ্যারিটি যৌথভাবে একটি নতুন ডিজিটাল অনুদান প্রকল্প চালু করেছে। ‘শেয়ার দ্য রিওয়ার্ড’ নামের এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে যে কেউ রফিক অ্যাপ ব্যবহার করে সরাসরি সহায়তা প্রদান করতে পারবেন। এই অনুদান খাদ্যপণ্য, পোশাক, শিক্ষা উপকরণ এবং চিকিৎসার মতো জরুরি খাতে ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পটির কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে জানা যায়, কাতার চ্যারিটির অধীনে থাকা আকরাবুন সেন্টার মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই ও কেস স্টাডির মাধ্যমে প্রকৃত অসহায় পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করবে। এরপর তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সহায়তার চাহিদাগুলো নির্ধারণ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সুবিধা নিয়ে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই স্বচ্ছতার সাথে তাদের অনুদান পৌঁছে দিতে পারবেন।

উদ্যোগটির গুরুত্ব তুলে ধরে আকরাবুন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ফয়সাল রশিদ আল-ফুহাইদা বলেন, প্রযুক্তি এবং সঠিক অংশীদারিত্বের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সংহতির চেতনা আরও শক্তিশালী হবে।

প্রযুক্তি কেবল বাণিজ্য বা সেবা প্রদানের মাধ্যম হওয়া উচিত নয়, বরং এটি সমাজের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রফিকের সিইও আব্দুল্লাহ থামের আল-হুমাইদি। তিনি জানান, এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা এখন খুব সহজেই সসম্মানে সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারবেন। কাতার চ্যারিটি ও রফিকের এই যৌথ প্রয়াস বেসরকারি খাত ও দাতব্য সংস্থার মধ্যকার অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে একটি আদর্শ মডেল হিসেবে গণ্য হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।