উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ বাপ্পী

আনোয়ার হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার : লক্ষ্মীপুরের কমলনগর মাটি ও মানুষের নেতা মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী। ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে ছাত্র লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। জেল জুলুম আর মিথ্যা মামলা দিয়েও যাকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার অতন্দ্র প্রহরীর মত সকল আন্দোলন সংগ্রামে থাকেন আপোষহীন নেতা মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পি।

আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মেজবাহ্ উদ্দীন আহমেদ বাপ্পীকে আবারও চেয়ানম্যান পদে দেখতে মাঠে কাজ করছে তরুন যুব ভোটারগন। স্থানীয় তরুন ও যুব ভোটারদের চোখে মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। তাদের দাবি,যুব সমাজের আইডল ও তরুন ভোটারদের মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মেজবাহ্ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পীর বিকল্প আর কোন প্রার্থী নেই । বিগত দিনে তিনি খুবই দক্ষতার সাথে কাজ করছেন।

নির্বাচন গনিয়ে এসেছে যার মধ্যে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন ও প্রচার-প্রচারনা । যতজন প্রার্থীর নাম শুনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে নজর সবার মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পীর”দিকে। তাকে ঘিরেই নির্বাচনী মাঠে নানা হিসেব-নিকেশ।

স্থানীয়রা জানান, এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যত প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে শক্ত প্রতিদ্ধন্ধী হিসেবে মাঠে সবার নজরে এখন মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী।

তিনি উপজেলা যুবলীগের দায়িত্বে ছিলেন বিধায় যুব লীগের পুরো নেতা-কর্মীরা মাঠে তার অনুকূলে কাজ করছে। গত নির্বাচনে তিনি জয়ী হওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকটি নির্বাচনে প্রার্থীর বিজয়ে তার একক নেতৃত্ব ও বলিষ্ঠ ভুমিকা ছিল।

এ সময় নির্বাচনের কারিশমা বুঝে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি নির্বাচনে জয়ী হতে খুবই কৌশলী যার কারনে নির্বাচনে তার শক্ত অবস্থান জনগনকে জানান দিচ্ছে।

এছাড়া মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পির বড় গুন হচ্ছে সহজে সে সবাইকে আপন করে নেওয়া। ছোট বড় সবার কাছে রয়েছে তার গ্রহণ যোগ্যতা।

তিনি বিগত দিনে চেয়ারম্যান পদে থাকায় এলাকায় বেশ উন্নয়নমুলক কাজ করছেন। রাস্তা ঘাট পাকা করন,কাঁচা রাস্তা সংস্কার,মেরামত করা,মসজিদ,মাদ্রাসার জন্য বিভিন্ন অনুদান,বাল্য বিবাহ বন্ধ,সত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স সহ অনেক কাজ করেছেন। তার এ উন্নয়নমুলক কাজে সাধারন জনগন উপকৃত হয়েছেন। তিনি গ্রামীন সড়কে একাধিক কাজ করেছেন মেঘনার ভাঙনে কবলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দু:খ ভাগাভাগি করেছেন।

করনা কালীল সময়ে তিনি মানুষের মাঝে মার্কস বিতরণ,খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার সামগ্রী বিতরন করে সবার নজর কাড়েন।

মেজবাহ্ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী জানান,গত নির্বাচনে জয়ী হয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। জানি না কতটুকু উন্নয়নমুলক কাজ করতে পেরেছি তবে, আমার চেষ্টার কোন কমতি ছিল না। এবারও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি মানুষ আমাকে নিরাশ করবে না। পূনরায় জয়ী হয়ে মানুষের পাশে থাকতে চাই। আমার কিছু অসমাপ্ত কাজ আছে সে গুলি করে সবার আশা আকাঙ্ক্ষা পুরন করতে চাই। দলমতের উর্দ্ধে সবার দোয়া আশা করছি।

মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী,মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে সন্তান। তিনি ১৯৯৪ সালে তোরাবগন্জ উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি,২০০১ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক,২০০০-২০০৪ সালে বৃহত্তর রামগতি উত্তরাঞ্চল ছাত্রলীগের সভাপতি,২০১৩ সালে উপজেলা যুবলীগের সদস্য,২০১৬ সালে জেলা যুবলীগের সদস্য,২০১৭ সালে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক

Verified by MonsterInsights

উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ বাপ্পী

আপলোডের সময় : 02:58:04 pm, Tuesday, 30 April 2024

আনোয়ার হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার : লক্ষ্মীপুরের কমলনগর মাটি ও মানুষের নেতা মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী। ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে ছাত্র লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। জেল জুলুম আর মিথ্যা মামলা দিয়েও যাকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার অতন্দ্র প্রহরীর মত সকল আন্দোলন সংগ্রামে থাকেন আপোষহীন নেতা মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পি।

আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মেজবাহ্ উদ্দীন আহমেদ বাপ্পীকে আবারও চেয়ানম্যান পদে দেখতে মাঠে কাজ করছে তরুন যুব ভোটারগন। স্থানীয় তরুন ও যুব ভোটারদের চোখে মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। তাদের দাবি,যুব সমাজের আইডল ও তরুন ভোটারদের মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মেজবাহ্ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পীর বিকল্প আর কোন প্রার্থী নেই । বিগত দিনে তিনি খুবই দক্ষতার সাথে কাজ করছেন।

নির্বাচন গনিয়ে এসেছে যার মধ্যে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন ও প্রচার-প্রচারনা । যতজন প্রার্থীর নাম শুনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে নজর সবার মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পীর”দিকে। তাকে ঘিরেই নির্বাচনী মাঠে নানা হিসেব-নিকেশ।

স্থানীয়রা জানান, এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যত প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে শক্ত প্রতিদ্ধন্ধী হিসেবে মাঠে সবার নজরে এখন মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী।

তিনি উপজেলা যুবলীগের দায়িত্বে ছিলেন বিধায় যুব লীগের পুরো নেতা-কর্মীরা মাঠে তার অনুকূলে কাজ করছে। গত নির্বাচনে তিনি জয়ী হওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকটি নির্বাচনে প্রার্থীর বিজয়ে তার একক নেতৃত্ব ও বলিষ্ঠ ভুমিকা ছিল।

এ সময় নির্বাচনের কারিশমা বুঝে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি নির্বাচনে জয়ী হতে খুবই কৌশলী যার কারনে নির্বাচনে তার শক্ত অবস্থান জনগনকে জানান দিচ্ছে।

এছাড়া মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পির বড় গুন হচ্ছে সহজে সে সবাইকে আপন করে নেওয়া। ছোট বড় সবার কাছে রয়েছে তার গ্রহণ যোগ্যতা।

তিনি বিগত দিনে চেয়ারম্যান পদে থাকায় এলাকায় বেশ উন্নয়নমুলক কাজ করছেন। রাস্তা ঘাট পাকা করন,কাঁচা রাস্তা সংস্কার,মেরামত করা,মসজিদ,মাদ্রাসার জন্য বিভিন্ন অনুদান,বাল্য বিবাহ বন্ধ,সত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স সহ অনেক কাজ করেছেন। তার এ উন্নয়নমুলক কাজে সাধারন জনগন উপকৃত হয়েছেন। তিনি গ্রামীন সড়কে একাধিক কাজ করেছেন মেঘনার ভাঙনে কবলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দু:খ ভাগাভাগি করেছেন।

করনা কালীল সময়ে তিনি মানুষের মাঝে মার্কস বিতরণ,খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার সামগ্রী বিতরন করে সবার নজর কাড়েন।

মেজবাহ্ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী জানান,গত নির্বাচনে জয়ী হয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। জানি না কতটুকু উন্নয়নমুলক কাজ করতে পেরেছি তবে, আমার চেষ্টার কোন কমতি ছিল না। এবারও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি মানুষ আমাকে নিরাশ করবে না। পূনরায় জয়ী হয়ে মানুষের পাশে থাকতে চাই। আমার কিছু অসমাপ্ত কাজ আছে সে গুলি করে সবার আশা আকাঙ্ক্ষা পুরন করতে চাই। দলমতের উর্দ্ধে সবার দোয়া আশা করছি।

মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী,মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে সন্তান। তিনি ১৯৯৪ সালে তোরাবগন্জ উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি,২০০১ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক,২০০০-২০০৪ সালে বৃহত্তর রামগতি উত্তরাঞ্চল ছাত্রলীগের সভাপতি,২০১৩ সালে উপজেলা যুবলীগের সদস্য,২০১৬ সালে জেলা যুবলীগের সদস্য,২০১৭ সালে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক।