1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
একসঙ্গে তিন ছেলের মৃত্যু,তিন ছেলেকে হারিয়ে এখন পাগল প্রায় বাবা-মা - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

একসঙ্গে তিন ছেলের মৃত্যু,তিন ছেলেকে হারিয়ে এখন পাগল প্রায় বাবা-মা

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫
  • ১৪৪ বার

রাত পোহালেই ঈদ। ঈদকে ঘিরে মানুষের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও ভিন্ন চিত্র পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাইশকুরা ইউনিয়নের টিকিকাটা গ্রামের মো. নাসির খাঁন ও শিউলি বেগমের পরিবারে। তাদের পরিবারেও চলছিল ঈদের প্রস্তুতি। হঠাৎ সব শেষ হয়ে গেল। ঈদের উচ্ছ্বাস যেন রূপ নিল বিষাদে। সড়ক দুর্ঘটনায় একসঙ্গে এই দম্পতি তিন ছেলেকে হারিয়ে এখন পাগল প্রায়। তিন ছেলে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। 

গতকাল ‎শনিবার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের সোনারবাংলা এলাকার পাথরঘাটা-মঠবাড়িয়া সড়কে বন্ধুর জন্য আনা ঈদের পোশাক দিতে গিয়ে রাজিব পরিবহনের একটি বাসের চাকায় পিষ্ট হন তিন ভাই মো. নাঈমুজ্জামান শুভ (২২), মো. শান্ত (১৪) ও মো. নাদিম (৮)।

‎চার সন্তানের বাবা মা নাসির খাঁন ও মা শিউলি বেগম দুই বছরের ব্যবধানে চার সন্তানের সবাইকেই হারিয়েছেন। দুই বছর আগে পানিতে ডুবে মারা যায় তাদের ছোট ছেলে মো. হাসান।রোববার (৩০ মার্চ) বিকেলে মুঠোফোনে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় নিহত তিন ছেলের বাবা মো. নাসির খাঁনের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ঈদের প্রস্তুতি তো ছিল। কিন্তু এখন আর কীসের ঈদ। আমাদের তো সব শেষ হয়ে গেছে। বড় ছেলে শুভ ঢাকাতেই চাকরি করতো। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার জন্যই বাড়ি এসেছিল। ঈদ তো আর করা হলো না আমার সন্তানের।

‎দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে সির খাঁন বলেন, বন্ধুর বাড়িতে ঈদের জামা পৌঁছে দিতে গিয়ে আর ফিরে আসল না আমার ছেলেরা। আমার তো সবগুলো ছেলেই চলে গেল। আমার তো সব শেষ হয়ে গেল।

‎নিহতদের মা শিউলি বেগম বলেন, আমাগো এখন আবার কীসের ঈদ। আমাগো ঈদ তো করতো আমার বাবারা। তারাই নাই এখন ঈদ দিয়ে কী হবে।

‎নিহতদের চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলাম সাগর বলেন, আমার চাচা নাসির খাঁন রাঙামাটি জেলায় শ্রমিকের কাজ করেন। দুই বছরের ব্যবধানে তিনি চার ছেলের সব কজনকেই হারালেন। চাচাতো ভাই শুভ ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করতো। পরিবার খুব ভালোভাবেই চলছিল। কিন্তু এক নিমিষেই সব শেষ হয়ে গেল। গতকাল রাতেই চাচা রাঙামাটি থেকে আসলে তিন ভাইকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। পরিবারে ঈদের আনন্দ বলতে কিছুই নেই।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News. Design & Development by SA Creative Media 
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com