১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ১৮৭৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

২০২৪ সালের শেষে কার্যক্রম শুরু করার পর মাত্র ৭ মাসে নবগঠিত আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট গোয়েন্দা কার্যক্রমের রাজস্ব ফাঁকির এমন তথ্য উদঘাটন হয়েছে।

এই ১৮৩ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৩ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে রাজস্ব। ২৩১টি এ-চালানের মাধ্যমে ১১৭ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

আজ (সোমবার) এক প্রেস বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ দপ্তর।

এনবিআর বলছে, বিভিন্ন প্রতিকূলতা স্বত্তেও উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে নবগঠিত আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

ইউনিটটি তার পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর ৭ মাস অতিক্রম করেছে। নবগঠিত সংস্থা হিসেবে এ ইউনিটের জনবল ও লজিস্টিক জনিত বহুবিধ সীমাবদ্ধতা থাকার পরও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট করদাতাদের স্বেচ্ছায় সঠিক কর প্রদানে উৎসাহিত করছে এবং একইভাবে কর ফাঁকিবাজ ও অর্থ পাচারকারীদের প্রতি স্পষ্ট বার্তা প্রদান করছে। যেকোনো ধরনের করফাঁকি ও বেনামি সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট বদ্ধ পরিকর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত এক

Verified by MonsterInsights

১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ১৮৭৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

আপলোডের সময় : 05:51:51 pm, Monday, 14 July 2025

১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

২০২৪ সালের শেষে কার্যক্রম শুরু করার পর মাত্র ৭ মাসে নবগঠিত আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট গোয়েন্দা কার্যক্রমের রাজস্ব ফাঁকির এমন তথ্য উদঘাটন হয়েছে।

এই ১৮৩ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৩ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে রাজস্ব। ২৩১টি এ-চালানের মাধ্যমে ১১৭ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

আজ (সোমবার) এক প্রেস বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ দপ্তর।

এনবিআর বলছে, বিভিন্ন প্রতিকূলতা স্বত্তেও উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে নবগঠিত আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

ইউনিটটি তার পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর ৭ মাস অতিক্রম করেছে। নবগঠিত সংস্থা হিসেবে এ ইউনিটের জনবল ও লজিস্টিক জনিত বহুবিধ সীমাবদ্ধতা থাকার পরও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।

আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট করদাতাদের স্বেচ্ছায় সঠিক কর প্রদানে উৎসাহিত করছে এবং একইভাবে কর ফাঁকিবাজ ও অর্থ পাচারকারীদের প্রতি স্পষ্ট বার্তা প্রদান করছে। যেকোনো ধরনের করফাঁকি ও বেনামি সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট বদ্ধ পরিকর।