গাজীপুর ভিকটিমকে উদ্ধারসহ অপহরণ চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার

উৎপল ঘোষ,ক্রাইম রিপোর্টার :ঝিনাইদহ সদর থানার মামলার সুত্রে জানা যায়,ধৃত আসামী অপহরণ মামলার এজাহারভূক্ত প্রধান আসামী। জানা যায়, ভিকটিম বর্তমানে একটি মহিলা কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রী। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামী ভিকটিমের উপর কু-নজর ফেলে কলেজে যাতায়াতের পথে বিরক্ত করত। বিষয়টি ভিকটিম তার পিতা-মাতাকে অবহিত করে। ভিকটিমের পিতা- মাতা আসামী মউদুদ ছানিকে এধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে বললে আসামী মউদুদ ছানি ভিকটিমের পিতা মাতার কথা কর্ণপাত না করে ক্ষিপ্ত হইয়া ভিকটিমকে অপহরণ করার জন্য অন্যান্য আসামীদের সহিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। গত ইং ০৩ মার্চ ২০২৪ ভিকটিম বাড়ী হইতে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে ঝিনাইদহ পৌরসভাধীন মহিলা কলেজ পাড়া পৌঁছালে মামলার আসামী অন্যান্য আসামীর সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অপহরণ পূর্বক তুলে নিয়ে যায়। ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এরই ধারাবাহিকতায়, বর্ণিত মামলার প্রধান আসামী মউদুদ ছানিকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জিএমপি, গাজীপুর সদর থানাধীন জয়দেবপুর এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তির অবস্থান সনাক্ত করা হয়।

র‌্যাব-৬,সিপিসি-২ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ৮ এপ্রিল ঝিনাইদহ এর একটি আভিযানিক দল গোপন তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে যে, অপহরণকারী দলের মূলহোতা বর্ণিত মউদুদ ছানি জিএমপি, গাজীপুর সদর থানাধীন জয়দেবপুর বাজার এলাকায় অবস্থান করছে। এমন প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আভিযানিক দলটি ৪ ঘটিকার সময় জিএমপি, গাজীপুর সদর থানাধীন জয়দেবপুর বাজার জিয়াউর রহমান এর বাসার সামনে হতে একটি যৌথ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম মোছাঃ ইয়াসমিন খাতুন(১৭)কে উদ্ধারসহ উক্ত অপহরণ চক্রের মূলহোতা ঝিনাইদহ জেলার হরাণাকুন্ডু থানাধীন চাঁদপুর গ্রামের মৃত ইদ্রিস মোল্লার কণ্যা মউদুদ ছানি (৪০) কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে ঝিনাইদহ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত এক

Verified by MonsterInsights

গাজীপুর ভিকটিমকে উদ্ধারসহ অপহরণ চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার

আপলোডের সময় : 05:30:19 pm, Monday, 8 April 2024

উৎপল ঘোষ,ক্রাইম রিপোর্টার :ঝিনাইদহ সদর থানার মামলার সুত্রে জানা যায়,ধৃত আসামী অপহরণ মামলার এজাহারভূক্ত প্রধান আসামী। জানা যায়, ভিকটিম বর্তমানে একটি মহিলা কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রী। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে আসামী ভিকটিমের উপর কু-নজর ফেলে কলেজে যাতায়াতের পথে বিরক্ত করত। বিষয়টি ভিকটিম তার পিতা-মাতাকে অবহিত করে। ভিকটিমের পিতা- মাতা আসামী মউদুদ ছানিকে এধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে বললে আসামী মউদুদ ছানি ভিকটিমের পিতা মাতার কথা কর্ণপাত না করে ক্ষিপ্ত হইয়া ভিকটিমকে অপহরণ করার জন্য অন্যান্য আসামীদের সহিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। গত ইং ০৩ মার্চ ২০২৪ ভিকটিম বাড়ী হইতে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে ঝিনাইদহ পৌরসভাধীন মহিলা কলেজ পাড়া পৌঁছালে মামলার আসামী অন্যান্য আসামীর সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অপহরণ পূর্বক তুলে নিয়ে যায়। ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এরই ধারাবাহিকতায়, বর্ণিত মামলার প্রধান আসামী মউদুদ ছানিকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জিএমপি, গাজীপুর সদর থানাধীন জয়দেবপুর এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তির অবস্থান সনাক্ত করা হয়।

র‌্যাব-৬,সিপিসি-২ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ৮ এপ্রিল ঝিনাইদহ এর একটি আভিযানিক দল গোপন তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে যে, অপহরণকারী দলের মূলহোতা বর্ণিত মউদুদ ছানি জিএমপি, গাজীপুর সদর থানাধীন জয়দেবপুর বাজার এলাকায় অবস্থান করছে। এমন প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আভিযানিক দলটি ৪ ঘটিকার সময় জিএমপি, গাজীপুর সদর থানাধীন জয়দেবপুর বাজার জিয়াউর রহমান এর বাসার সামনে হতে একটি যৌথ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম মোছাঃ ইয়াসমিন খাতুন(১৭)কে উদ্ধারসহ উক্ত অপহরণ চক্রের মূলহোতা ঝিনাইদহ জেলার হরাণাকুন্ডু থানাধীন চাঁদপুর গ্রামের মৃত ইদ্রিস মোল্লার কণ্যা মউদুদ ছানি (৪০) কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে ঝিনাইদহ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।