সাদুল্লাপুরে বিয়ের দাবীতে গৃহবধূর অনশন

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের যুগীবাড়ী গ্রামে বিয়ের দাবীতে প্রেমিক আতিকুরের বাড়ীতে অনশন করতে দেখা যায় গৃহবধূ সাবিনাকে।

সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,যুগীবাড়ী কুঠিপাড়া গ্রামের হাজ্বী আতোয়ার রহমানের ছেলে আতিকুর রহমান(৪৭) ও একই গ্রামের মাসুদ মিয়ার স্ত্রী সাবিনা’র (৪২) সাথে এক বছর ধরে অবৈধ সম্পর্ক পরকিয়া চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ অক্টোবর শুক্রবার সকালে বিয়ের দবীতে প্রেমিক আতিকুরের বাড়ীতে অনশন করতে দেখা যায় প্রেমিকা সাবিনাকে। এবিষয়ে কুঠিপাড়া এলাকার একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

এসময় সাবিনা কান্নাজরিত কন্ঠে বলেন, আতিকুর আমার সব শেষ করে ফেলেছে। এর কারনে আমার স্বামী আমাকে তালাক প্রদান করেছে। আমাকে যদি বিবাহ করা না হয়,তাহলে আমি আতিকুরের বাড়ীতে আত্মহত্যা করব। এমনিভাবে বলছিলেন ভুক্তভোগী গৃহবধু সাবিনা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আতিকুর রহমানের স্ত্রী রেশমা বেগম বলেন,তার স্বামী আশা এনজিওতে পাট গ্রাম এলাকায় আর এম হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি বলেন, এটি পরিকল্পিত,পুর্বসত্রুতার জের ধরে এমন মিথ্যা অভিযোগ আমার স্বামীর উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।

অপরদিকে এলাকাবাসী অভিযুক্ত আতিকুরের চরিত্রের বিরুপ মন্তব্য করে আতিকুরের সহিত ভুক্তভোগী সাবিনার বিবাহের মাধ্যমে সমাধানের জোর দাবী জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালে কৃষ্ণা-মাছুরার টাঙ্গাইল ও উমেহ্লার রাঙামাটি

Verified by MonsterInsights

সাদুল্লাপুরে বিয়ের দাবীতে গৃহবধূর অনশন

আপলোডের সময় : 02:24:15 pm, Sunday, 20 October 2024

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের যুগীবাড়ী গ্রামে বিয়ের দাবীতে প্রেমিক আতিকুরের বাড়ীতে অনশন করতে দেখা যায় গৃহবধূ সাবিনাকে।

সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,যুগীবাড়ী কুঠিপাড়া গ্রামের হাজ্বী আতোয়ার রহমানের ছেলে আতিকুর রহমান(৪৭) ও একই গ্রামের মাসুদ মিয়ার স্ত্রী সাবিনা’র (৪২) সাথে এক বছর ধরে অবৈধ সম্পর্ক পরকিয়া চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ অক্টোবর শুক্রবার সকালে বিয়ের দবীতে প্রেমিক আতিকুরের বাড়ীতে অনশন করতে দেখা যায় প্রেমিকা সাবিনাকে। এবিষয়ে কুঠিপাড়া এলাকার একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

এসময় সাবিনা কান্নাজরিত কন্ঠে বলেন, আতিকুর আমার সব শেষ করে ফেলেছে। এর কারনে আমার স্বামী আমাকে তালাক প্রদান করেছে। আমাকে যদি বিবাহ করা না হয়,তাহলে আমি আতিকুরের বাড়ীতে আত্মহত্যা করব। এমনিভাবে বলছিলেন ভুক্তভোগী গৃহবধু সাবিনা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আতিকুর রহমানের স্ত্রী রেশমা বেগম বলেন,তার স্বামী আশা এনজিওতে পাট গ্রাম এলাকায় আর এম হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি বলেন, এটি পরিকল্পিত,পুর্বসত্রুতার জের ধরে এমন মিথ্যা অভিযোগ আমার স্বামীর উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।

অপরদিকে এলাকাবাসী অভিযুক্ত আতিকুরের চরিত্রের বিরুপ মন্তব্য করে আতিকুরের সহিত ভুক্তভোগী সাবিনার বিবাহের মাধ্যমে সমাধানের জোর দাবী জানিয়েছেন।