গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৯ মাসে ৬ হাজার ৮শত ৪৯ মামলা নিষ্পত্তি

 

গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত নয় মাসে ৬ হাজার ৮শত ৪৯টি মামmলা নিষ্পত্তি হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সিআর, জিআরসহ বিভিন্ন মামলা। এটি গাইবান্ধার ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক। গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ রেজাউল করিম সরকার এ তথ্য জানান।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১জানুয়ারী তারিখে গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রাথমিক বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ১৮হাজার ৯৫৬টি। ওই সময় থেকে সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত নয় মাসে দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ৭হাজার ৭৮৩টি।

এছাড়া জেলা জজ আদালত থেকে এনআই অ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারার ৫ লাখ টাকার নিয়ে বদলীসূত্রে প্রাপ্ত মামলাসহ অত্র আদালতের বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২০হাজার ২১৩ টি।

একই সময়ে উক্ত মামলাগুলো থেকে বিচারের জন্য বিভিন্ন আদালতে বদলীকৃত মামলার সংখ্যা ২১হাজার ৯৭টি। বর্তমানে গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৯হাজার ৬টি মামলা বিচারাধীন আছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সংকট ও বিচারক সংকট রয়েছে। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১১টি পদ থাকলেও ৪টি পদ শূণ্য আছে।

বর্তমানে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৭ জন বিচারক কর্মরত আছে। বিচার সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে গাইবান্ধায় যোগ দেওয়ার পর অনেক মামলার জট কমেছে। জেলার ইতিহাসে যা রেকর্ড সংখ্যক।

গাইবান্ধা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক হিপজুর আলম মুন্সী বলেন, নির্ধারিত দিনে সাক্ষী না আসায় মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হয়। কিন্তু চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকদের তাগাদার কারণে আদালতে সময়মত সাক্ষী উপস্থাপন নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে নয় মাসে এতো মামলার দ্রুত নিস্পত্তি হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) এ্যাড. মিজানুর রহমান মিজান বলেন, সম্প্রতি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা নিষ্পত্তির হার বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিচার প্রার্থীরা উপকৃত হচ্ছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৯ মাসে ৬ হাজার ৮শত ৪৯ মামলা নিষ্পত্তি

আপলোডের সময় : 09:36:21 pm, Sunday, 25 October 2026

 

গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত নয় মাসে ৬ হাজার ৮শত ৪৯টি মামmলা নিষ্পত্তি হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সিআর, জিআরসহ বিভিন্ন মামলা। এটি গাইবান্ধার ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক। গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ রেজাউল করিম সরকার এ তথ্য জানান।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১জানুয়ারী তারিখে গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রাথমিক বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ১৮হাজার ৯৫৬টি। ওই সময় থেকে সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত নয় মাসে দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ৭হাজার ৭৮৩টি।

এছাড়া জেলা জজ আদালত থেকে এনআই অ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারার ৫ লাখ টাকার নিয়ে বদলীসূত্রে প্রাপ্ত মামলাসহ অত্র আদালতের বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২০হাজার ২১৩ টি।

একই সময়ে উক্ত মামলাগুলো থেকে বিচারের জন্য বিভিন্ন আদালতে বদলীকৃত মামলার সংখ্যা ২১হাজার ৯৭টি। বর্তমানে গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৯হাজার ৬টি মামলা বিচারাধীন আছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সংকট ও বিচারক সংকট রয়েছে। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১১টি পদ থাকলেও ৪টি পদ শূণ্য আছে।

বর্তমানে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৭ জন বিচারক কর্মরত আছে। বিচার সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে গাইবান্ধায় যোগ দেওয়ার পর অনেক মামলার জট কমেছে। জেলার ইতিহাসে যা রেকর্ড সংখ্যক।

গাইবান্ধা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক হিপজুর আলম মুন্সী বলেন, নির্ধারিত দিনে সাক্ষী না আসায় মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হয়। কিন্তু চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকদের তাগাদার কারণে আদালতে সময়মত সাক্ষী উপস্থাপন নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে নয় মাসে এতো মামলার দ্রুত নিস্পত্তি হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) এ্যাড. মিজানুর রহমান মিজান বলেন, সম্প্রতি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা নিষ্পত্তির হার বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিচার প্রার্থীরা উপকৃত হচ্ছেন।