পুলিশি চাঁদাবাজি-হয়রানি বন্ধের দাবিতে সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক অবরোধ

 

সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু পশ্চিম পারে জেলা পুলিশের চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে সলঙ্গার নলকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরিবহন শ্রমিক ও মালিকেরা।

সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে নলকা এলাকায় এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীরা মহাসড়কে ব্যানার নিয়ে অবস্থান গ্রহণ করেন এবং অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় কয়েকজন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ ও যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশের সার্জেন্ট ও টিআইগন নানা অজুহাতে গাড়ি চালানোর সময় পরিবহন শ্রমিকদের চরমভাবে হয়রানি করছে এবং চাঁদাবাজি চালাচ্ছে। তাদের অত্যাচারে সাধারণ চালকেরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। আমরা চাই, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”
এদিকে, অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীসাধারণ এবং মালবাহী গাড়ির চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে বিকেল পাঁচটার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এতে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালে কৃষ্ণা-মাছুরার টাঙ্গাইল ও উমেহ্লার রাঙামাটি

Verified by MonsterInsights

পুলিশি চাঁদাবাজি-হয়রানি বন্ধের দাবিতে সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক অবরোধ

আপলোডের সময় : 08:52:27 am, Tuesday, 19 August 2025

 

সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু পশ্চিম পারে জেলা পুলিশের চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে সলঙ্গার নলকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরিবহন শ্রমিক ও মালিকেরা।

সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে নলকা এলাকায় এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীরা মহাসড়কে ব্যানার নিয়ে অবস্থান গ্রহণ করেন এবং অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় কয়েকজন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ ও যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশের সার্জেন্ট ও টিআইগন নানা অজুহাতে গাড়ি চালানোর সময় পরিবহন শ্রমিকদের চরমভাবে হয়রানি করছে এবং চাঁদাবাজি চালাচ্ছে। তাদের অত্যাচারে সাধারণ চালকেরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। আমরা চাই, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”
এদিকে, অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীসাধারণ এবং মালবাহী গাড়ির চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে বিকেল পাঁচটার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এতে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।