​কর্তব্যে অবহেলা ও কৃষক হয়রানি: বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

 

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) গাইবান্ধা সদর ক্ষুদ্রসেচ ইউনিটের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আরমান বাদশাহর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং কৃষক হয়রানির অভিযোগে ‘বিএডিসি কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০’ অনুযায়ী এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ।
​
গাইবান্ধা সদর দপ্তরের আওতাধীন গভীর ও অগভীর নলকূপের লাইসেন্স এবং সরায়ন আবেদনের তদন্ত করার জন্য মো. আরমান বাদশাহকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নিজে সরেজমিনে তদন্ত না করে তার দপ্তরের একজন অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর এবং একজন অনিয়মিত শ্রমিককে (ডেটা কালেক্টর) দিয়ে তদন্ত করান।

​বিএডিসির সচিব (উপসচিব) মো. মামুন উজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। ​তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিজে কাজ না করে অধস্তন কর্মচারীদের দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করানো। পরিদর্শন কমিটির প্রতিবেদন যথাযথ নিয়ম মেনে দাখিল না করে সরাসরি সহকারী প্রকৌশলীর কাছে জমা দেওয়া। তদন্ত কাজে গাফিলতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে স্থানীয় কৃষকরা হয়রানির শিকার হয়েছেন, যা প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। ​বিভাগীয় ব্যবস্থা ​কর্তৃপক্ষ তার এই আচরণকে প্রবিধানমালার ৩৯ (ক) ও (খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও ‘দায়িত্বে অবহেলা’ হিসেবে গণ্য করেছে। প্রবিধানমালার ৪০ বিধি অনুযায়ী কেন তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে না, তার লিখিত জবাব আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বিএডিসি চেয়ারম্যান বরাবর দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

​কর্তব্যে অবহেলা ও কৃষক হয়রানি: বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

আপলোডের সময় : 08:22:21 pm, Sunday, 4 January 2026

 

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) গাইবান্ধা সদর ক্ষুদ্রসেচ ইউনিটের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আরমান বাদশাহর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং কৃষক হয়রানির অভিযোগে ‘বিএডিসি কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০’ অনুযায়ী এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ।
​
গাইবান্ধা সদর দপ্তরের আওতাধীন গভীর ও অগভীর নলকূপের লাইসেন্স এবং সরায়ন আবেদনের তদন্ত করার জন্য মো. আরমান বাদশাহকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নিজে সরেজমিনে তদন্ত না করে তার দপ্তরের একজন অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর এবং একজন অনিয়মিত শ্রমিককে (ডেটা কালেক্টর) দিয়ে তদন্ত করান।

​বিএডিসির সচিব (উপসচিব) মো. মামুন উজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। ​তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিজে কাজ না করে অধস্তন কর্মচারীদের দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করানো। পরিদর্শন কমিটির প্রতিবেদন যথাযথ নিয়ম মেনে দাখিল না করে সরাসরি সহকারী প্রকৌশলীর কাছে জমা দেওয়া। তদন্ত কাজে গাফিলতি ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে স্থানীয় কৃষকরা হয়রানির শিকার হয়েছেন, যা প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। ​বিভাগীয় ব্যবস্থা ​কর্তৃপক্ষ তার এই আচরণকে প্রবিধানমালার ৩৯ (ক) ও (খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও ‘দায়িত্বে অবহেলা’ হিসেবে গণ্য করেছে। প্রবিধানমালার ৪০ বিধি অনুযায়ী কেন তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে না, তার লিখিত জবাব আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বিএডিসি চেয়ারম্যান বরাবর দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।