পাংশায় অস্ত্র-গুলি ও ককটেল উদ্ধারসহ ০২ জন আসামী গ্রেফতার

এমদাদুল হক রানা, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব জি.এম. আবুল কালাম আজাদ মহোদয় এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক্রাইম এ্যান্ড অপস্ জনাব মুক্তিত সরকার এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাংশা মডেল ঘানার অফিসার ইনচার্জ জনাব স্বপন কুমার মজুমদার এর নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র)। তারিকুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ পাংশা থানা এলাকায় অবৈধ মাদকদ্রবা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫/০২/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ ২৩:০৫ ঘটিকার সময় পাংশা থানাধীন কুঠিমালিয়াট সাকিনস্থ জনৈক নাছিমা বেগম (৩৬), স্বামী মোঃ কুদ্দুস এর বাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে (২৭), পিতা মৃত কাদের মন্ডল, সাং কুঠিমালিয়াট পশ্চিমপাড়া, ২। শাওন (২২), পিতা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, সাং কুঠিমালিয়াট মধ্যপাড়া উভয় থানা পাংশা, জেলা রাজবাড়ী দ্বয়কে ধৃত করেন এবং আসামী ৩। তুষার বিশ্বাস (৪২), পিতা মৃত শশধর বিশ্বাস, সাং নাওড়া বনগ্রাম, খানা পাংশা জেলা রাজবাড়ী কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। উরুস্থানে তাদের উপস্থিতির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা সন্দেহজনক এলোমেলো কথাবার্তা বলে। ধৃত আসামীদ্বয়কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সামনে স্বীকার করে যে, আসামী মোঃ কফিল প্রদান ওরফে কইফের সাথে পূর্ব শত্রুতার কারনে মোঃ আলাল হোসেন (৪১), পিতা মোঃ মকবুল হোসেন এবং শাওন ও তার পরিবারের সাথে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের কারনে মোঃ মনিরুল ইসলাম (৪০), পিতা- মৃত মোংলা মোল্লা, উভয় সাং কুঠিমালিয়াট, যানা পাংশা জেলা রাজবাড়ী স্বয়কে তারা হত্যা করার পরিকল্পনা করছিল। আসামী মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে আরো জানায় যে, আলাল ও মনিরুল ইসলামকে হত্যা করার কাজে ব্যবহারের জন্য পলাতক আসামী তুষার অস্ত্র-গুলি ও গুলি করার পর ভীতি সৃষ্টি করার জনা ককটেল বোমা একটি বাজারের ব্যাগে ভরে তার কাছে দিয়েছে। সেই অস্ত্র-গুলি ও ককটেল ভর্তি ব্যাগটি তার (মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে। খালা নাছিমা বেগম এর পরিত্যাক্ত টিনের ঘরের ভিতর রেখেছে এবং অস্ত্র-গুলি ও ককটেল রাখার বিষয়টি আসামী শাওনও জ্ঞাত আছে। তখন উপস্থিত লোকজন। ও আসামী মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে দ্বয়কে নিয়ে পাংশা থানাধীন কুঠিমালিয়াট সাকিনস্থ জনৈক নাছিমা বেগম (৩৬), স্বামী মোঃ কুদ্দুস এর দক্ষিন দুয়ারী চৌচালা টিনের পরিত্যাক্ত ঘরে গেলে আসামী মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে উক্ত ঘরের পশ্চিম পাশের কক্ষে থাকা সাব বাক্সের উত্তর পাশ হতে একটি অস্ত্র- গুলি ও ককটেল ভরা একটি SHAH CEMENT লেখাসহ অন্যান্য লেখাযুক্ত বাজার করা ব্যাগ নিজ হাতে বের করে দেয়। সেখানে উপস্থিত অনেক লোকজনের সম্মুখে আসামী মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে উক্ত SHAH CEMENT লেখাসহ অন্যান্য লেখাযুক্ত বাজার করা ব্যাগ হতে (1) লোহা ও কাঠের বাট যুক্ত একটি দেশীয় তৈরী ওয়ান শুটারগান, (১) একটি লোহার তৈরী দেশীয় ওয়ান শুটারগান, (ii) বেল্টযুক্ত ইংরেজীতে viva লেখা কালো রংয়ের একটি সাইড ব্যাগের ভিতর থাকা ০৪ (চার) টি তাজা কার্তুজ, (৬) পেষ্ট রংয়ের একটি শপিং ব্যাগে থাকা কালো রংয়ের কসটেপ দ্বারা পেচানো ০৬ (ছয়) টি অবিস্ফোরিত ককটেল বিস্ফোরক নিজ যাতে বের করে দেওয়া মতে উদ্ধার করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালে কৃষ্ণা-মাছুরার টাঙ্গাইল ও উমেহ্লার রাঙামাটি

Verified by MonsterInsights

পাংশায় অস্ত্র-গুলি ও ককটেল উদ্ধারসহ ০২ জন আসামী গ্রেফতার

আপলোডের সময় : 12:44:27 pm, Monday, 26 February 2024

এমদাদুল হক রানা, রাজবাড়ীঃ রাজবাড়ী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব জি.এম. আবুল কালাম আজাদ মহোদয় এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক্রাইম এ্যান্ড অপস্ জনাব মুক্তিত সরকার এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাংশা মডেল ঘানার অফিসার ইনচার্জ জনাব স্বপন কুমার মজুমদার এর নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র)। তারিকুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ পাংশা থানা এলাকায় অবৈধ মাদকদ্রবা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৫/০২/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ ২৩:০৫ ঘটিকার সময় পাংশা থানাধীন কুঠিমালিয়াট সাকিনস্থ জনৈক নাছিমা বেগম (৩৬), স্বামী মোঃ কুদ্দুস এর বাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে (২৭), পিতা মৃত কাদের মন্ডল, সাং কুঠিমালিয়াট পশ্চিমপাড়া, ২। শাওন (২২), পিতা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, সাং কুঠিমালিয়াট মধ্যপাড়া উভয় থানা পাংশা, জেলা রাজবাড়ী দ্বয়কে ধৃত করেন এবং আসামী ৩। তুষার বিশ্বাস (৪২), পিতা মৃত শশধর বিশ্বাস, সাং নাওড়া বনগ্রাম, খানা পাংশা জেলা রাজবাড়ী কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। উরুস্থানে তাদের উপস্থিতির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা সন্দেহজনক এলোমেলো কথাবার্তা বলে। ধৃত আসামীদ্বয়কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সামনে স্বীকার করে যে, আসামী মোঃ কফিল প্রদান ওরফে কইফের সাথে পূর্ব শত্রুতার কারনে মোঃ আলাল হোসেন (৪১), পিতা মোঃ মকবুল হোসেন এবং শাওন ও তার পরিবারের সাথে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের কারনে মোঃ মনিরুল ইসলাম (৪০), পিতা- মৃত মোংলা মোল্লা, উভয় সাং কুঠিমালিয়াট, যানা পাংশা জেলা রাজবাড়ী স্বয়কে তারা হত্যা করার পরিকল্পনা করছিল। আসামী মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে আরো জানায় যে, আলাল ও মনিরুল ইসলামকে হত্যা করার কাজে ব্যবহারের জন্য পলাতক আসামী তুষার অস্ত্র-গুলি ও গুলি করার পর ভীতি সৃষ্টি করার জনা ককটেল বোমা একটি বাজারের ব্যাগে ভরে তার কাছে দিয়েছে। সেই অস্ত্র-গুলি ও ককটেল ভর্তি ব্যাগটি তার (মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে। খালা নাছিমা বেগম এর পরিত্যাক্ত টিনের ঘরের ভিতর রেখেছে এবং অস্ত্র-গুলি ও ককটেল রাখার বিষয়টি আসামী শাওনও জ্ঞাত আছে। তখন উপস্থিত লোকজন। ও আসামী মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে দ্বয়কে নিয়ে পাংশা থানাধীন কুঠিমালিয়াট সাকিনস্থ জনৈক নাছিমা বেগম (৩৬), স্বামী মোঃ কুদ্দুস এর দক্ষিন দুয়ারী চৌচালা টিনের পরিত্যাক্ত ঘরে গেলে আসামী মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে উক্ত ঘরের পশ্চিম পাশের কক্ষে থাকা সাব বাক্সের উত্তর পাশ হতে একটি অস্ত্র- গুলি ও ককটেল ভরা একটি SHAH CEMENT লেখাসহ অন্যান্য লেখাযুক্ত বাজার করা ব্যাগ নিজ হাতে বের করে দেয়। সেখানে উপস্থিত অনেক লোকজনের সম্মুখে আসামী মোঃ কফিল উদ্দিন ওরফে কইফে উক্ত SHAH CEMENT লেখাসহ অন্যান্য লেখাযুক্ত বাজার করা ব্যাগ হতে (1) লোহা ও কাঠের বাট যুক্ত একটি দেশীয় তৈরী ওয়ান শুটারগান, (১) একটি লোহার তৈরী দেশীয় ওয়ান শুটারগান, (ii) বেল্টযুক্ত ইংরেজীতে viva লেখা কালো রংয়ের একটি সাইড ব্যাগের ভিতর থাকা ০৪ (চার) টি তাজা কার্তুজ, (৬) পেষ্ট রংয়ের একটি শপিং ব্যাগে থাকা কালো রংয়ের কসটেপ দ্বারা পেচানো ০৬ (ছয়) টি অবিস্ফোরিত ককটেল বিস্ফোরক নিজ যাতে বের করে দেওয়া মতে উদ্ধার করা হয়।