ফুলছড়িতে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে জনসমুদ্র, উত্তাল মানববন্ধন

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় বালাসীঘাট-বাহাদুরাবাদ নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশাল মানববন্ধন।

সোমবার বিকেলে বালাসীঘাট এলাকায় ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে হাজারো মানুষের ঢল নামে, মুহূর্তেই পুরো এলাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। দুপুর গড়ানোর আগেই ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে এসে জড়ো হতে থাকেন। এতে গণমাধ্যমকর্মীসহ শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, শিক্ষার্থীসহ নানা পেশা ও শ্রেণির মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কর্মসূচিকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। সবার কণ্ঠে একটাই দাবি—“সেতু চাই, এখনই চাই”।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এই সেতু। এটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ আশপাশের জেলাগুলোর অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে। কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পখাতে সৃষ্টি হবে ব্যাপক সম্ভাবনা। তারা আরও অভিযোগ করেন, বহুবার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তারা। বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।

তবে আয়োজকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, দ্রুত সেতু নির্মাণকাজ শুরু না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তারা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

ফুলছড়িতে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবিতে জনসমুদ্র, উত্তাল মানববন্ধন

আপলোডের সময় : 09:53:26 pm, Friday, 1 May 2026

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় বালাসীঘাট-বাহাদুরাবাদ নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশাল মানববন্ধন।

সোমবার বিকেলে বালাসীঘাট এলাকায় ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে হাজারো মানুষের ঢল নামে, মুহূর্তেই পুরো এলাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। দুপুর গড়ানোর আগেই ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে এসে জড়ো হতে থাকেন। এতে গণমাধ্যমকর্মীসহ শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, শিক্ষার্থীসহ নানা পেশা ও শ্রেণির মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কর্মসূচিকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। সবার কণ্ঠে একটাই দাবি—“সেতু চাই, এখনই চাই”।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এই সেতু। এটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ আশপাশের জেলাগুলোর অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে। কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পখাতে সৃষ্টি হবে ব্যাপক সম্ভাবনা। তারা আরও অভিযোগ করেন, বহুবার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তারা। বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।

তবে আয়োজকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, দ্রুত সেতু নির্মাণকাজ শুরু না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তারা।