উৎসবমুখর পরিবেশে থানাপাড়ার বাইতুছানাম জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায়

 

শনিবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও মুসল্লিদের ঈদের আনন্দ ও ধর্মীয় উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি। বৃষ্টি উপেক্ষা করে ছোট-বড়, যুবক-বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছাতা, রেইনকোট ও ভেজা কাপড় নিয়েই মসজিদে উপস্থিত হন।
ঈদের নামাজ শুরুর আগেই মসজিদ প্রাঙ্গণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। মসজিদের ভেতরে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় অনেকে বারান্দা ও আশপাশের এলাকায় দাঁড়িয়ে জামাতে অংশ নেন। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বৃষ্টির কারণে যেন নামাজ আদায়ে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সে লক্ষ্যে মসজিদের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী ছাউনি ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও করা হয়।
নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে দেশের সুখ-শান্তি, উন্নয়ন ও মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় থাকার আহ্বান জানানো হয়।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, বৃষ্টির কারণে কিছুটা দুর্ভোগ হলেও ঈদের জামাতে অংশ নিতে পেরে তারা আনন্দিত। অনেকেই বলেন, “প্রতিকূল আবহাওয়া আমাদের ঈদের আনন্দকে ম্লান করতে পারেনি। বরং একসঙ্গে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে।”
মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় সুশৃঙ্খলভাবে নামাজ আদায় সম্ভব হয়েছে বলে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এদিকে ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃষ্টিভেজা সকালেও থানাপাড়াজুড়ে ছিল ঈদের আনন্দ, সম্প্রীতি ও ধর্মীয় আবহের এক অনন্য দৃশ্য।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

উৎসবমুখর পরিবেশে থানাপাড়ার বাইতুছানাম জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায়

আপলোডের সময় : 08:44:13 am, Friday, 29 May 2026

 

শনিবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও মুসল্লিদের ঈদের আনন্দ ও ধর্মীয় উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি। বৃষ্টি উপেক্ষা করে ছোট-বড়, যুবক-বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছাতা, রেইনকোট ও ভেজা কাপড় নিয়েই মসজিদে উপস্থিত হন।
ঈদের নামাজ শুরুর আগেই মসজিদ প্রাঙ্গণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। মসজিদের ভেতরে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় অনেকে বারান্দা ও আশপাশের এলাকায় দাঁড়িয়ে জামাতে অংশ নেন। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বৃষ্টির কারণে যেন নামাজ আদায়ে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সে লক্ষ্যে মসজিদের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী ছাউনি ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও করা হয়।
নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে দেশের সুখ-শান্তি, উন্নয়ন ও মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় থাকার আহ্বান জানানো হয়।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, বৃষ্টির কারণে কিছুটা দুর্ভোগ হলেও ঈদের জামাতে অংশ নিতে পেরে তারা আনন্দিত। অনেকেই বলেন, “প্রতিকূল আবহাওয়া আমাদের ঈদের আনন্দকে ম্লান করতে পারেনি। বরং একসঙ্গে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে।”
মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় সুশৃঙ্খলভাবে নামাজ আদায় সম্ভব হয়েছে বলে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এদিকে ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃষ্টিভেজা সকালেও থানাপাড়াজুড়ে ছিল ঈদের আনন্দ, সম্প্রীতি ও ধর্মীয় আবহের এক অনন্য দৃশ্য।