জমি বিরোধে সংঘর্ষ: ঠাকুরগাঁও থেকে গ্রেফতার প্রধান আসামি সুমন

 

গাইবান্ধার সদর উপজেলার বড় মহানন্দপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় প্রধান আসামি হাসানুজ্জামান সুমনকে ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল্লী থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ৬ জুন বিকেলে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একদল ব্যক্তি প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এতে সোহরাব সরদার, আলামিনসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় ৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন ইতোমধ্যে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। প্রধান আসামি সুমন ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকলেও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তারা বলেন, আইন নিজের হাতে না নিয়ে যেকোনো বিরোধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া উচিত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

জমি বিরোধে সংঘর্ষ: ঠাকুরগাঁও থেকে গ্রেফতার প্রধান আসামি সুমন

আপলোডের সময় : 09:13:10 pm, Saturday, 4 July 2026

 

গাইবান্ধার সদর উপজেলার বড় মহানন্দপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় প্রধান আসামি হাসানুজ্জামান সুমনকে ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল্লী থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ৬ জুন বিকেলে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একদল ব্যক্তি প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এতে সোহরাব সরদার, আলামিনসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় ৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন ইতোমধ্যে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। প্রধান আসামি সুমন ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকলেও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তারা বলেন, আইন নিজের হাতে না নিয়ে যেকোনো বিরোধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া উচিত।