সরকারি বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ থেকে পাশের বাসায় অবৈধ সংযোগের অভিযোগে চাঞ্চল্য গাইবান্ধায়

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ী ইউনিয়নের খিদির শরীফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে পাশের একটি বাসায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ওয়াশরুম থেকে একটি বৈদ্যুতিক তার টেনে পাশের একটি টিনশেড ঘরে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সংযোগ ব্যবহার করা হলেও বিষয়টি সম্প্রতি স্থানীয়দের নজরে আসে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকনুজ্জামান ফারুকের যোগসাজশেই এই অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, সরকারি খরচে পরিচালিত বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অনৈতিক।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকনুজ্জামান ফারুক। তিনি বলেন, “বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ব্যক্তিগতভাবে কাউকে সংযোগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই।”

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমের চাবি তাঁর এবং দপ্তরির কাছেই থাকে। তবে কীভাবে সেখান থেকে বাইরের সংযোগ নেওয়া হলো, সে বিষয়ে তিনি সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তারা বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

সরকারি বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ থেকে পাশের বাসায় অবৈধ সংযোগের অভিযোগে চাঞ্চল্য গাইবান্ধায়

আপলোডের সময় : 12:17:48 am, Monday, 6 July 2026

 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ী ইউনিয়নের খিদির শরীফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে পাশের একটি বাসায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের ওয়াশরুম থেকে একটি বৈদ্যুতিক তার টেনে পাশের একটি টিনশেড ঘরে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সংযোগ ব্যবহার করা হলেও বিষয়টি সম্প্রতি স্থানীয়দের নজরে আসে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকনুজ্জামান ফারুকের যোগসাজশেই এই অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, সরকারি খরচে পরিচালিত বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অনৈতিক।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকনুজ্জামান ফারুক। তিনি বলেন, “বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ব্যক্তিগতভাবে কাউকে সংযোগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই।”

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমের চাবি তাঁর এবং দপ্তরির কাছেই থাকে। তবে কীভাবে সেখান থেকে বাইরের সংযোগ নেওয়া হলো, সে বিষয়ে তিনি সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তারা বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।