নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ে গাইবান্ধায় মহিলা পরিষদের পাড়া কমিটির সংগঠকদের প্রশিক্ষণ

নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নে গোদাগাড়ী পাড়া কমিটির সংগঠকদের নিয়ে মহিলা পরিষদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার প্রশিক্ষণ উপ-পরিষদ এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
এতে বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি মাহফুজা খানম মিতা, সাধারণ সম্পাদক রিকতু প্রসাদ, লিগ্যাল এইড সম্পাদক নিয়াজ আক্তার ইয়াসমিন, আন্দোলন সম্পাদক লুনা ইসলাম, সদস্য দিপালী খাতুনসহ অন্যান্যরা।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে পরিবার গুলোতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নারী ও শিশুরাই নির্যাতনের শিকার হয়। ইদানীং যৌতুকের কারণে তা বেশি হয়ে থাকে। এর বাইরে সাংসারিক কাজ, বর্ণ, গোত্র, অবহেলা, দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, যৌন সম্পর্কসহ নানা কারণে এই নারী ও শিশু নির্যাতন হয়,এর সাথে আছে ধর্ষণের মত ঘৃণ্য কাজ। এসবের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আইনী ব্যবস্থার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে যে সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান গুলো কাজ করে সকলের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের যে আইন সেই আইন সম্পর্কে সকলের ধারণা থাকার প্রতিও জোর দেন তারা। শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা গ্রুপ কাজ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ে গাইবান্ধায় মহিলা পরিষদের পাড়া কমিটির সংগঠকদের প্রশিক্ষণ

আপলোডের সময় : 09:31:19 pm, Wednesday, 8 July 2026

নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নে গোদাগাড়ী পাড়া কমিটির সংগঠকদের নিয়ে মহিলা পরিষদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার প্রশিক্ষণ উপ-পরিষদ এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
এতে বক্তব্য দেন সংগঠনের সভাপতি মাহফুজা খানম মিতা, সাধারণ সম্পাদক রিকতু প্রসাদ, লিগ্যাল এইড সম্পাদক নিয়াজ আক্তার ইয়াসমিন, আন্দোলন সম্পাদক লুনা ইসলাম, সদস্য দিপালী খাতুনসহ অন্যান্যরা।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে পরিবার গুলোতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নারী ও শিশুরাই নির্যাতনের শিকার হয়। ইদানীং যৌতুকের কারণে তা বেশি হয়ে থাকে। এর বাইরে সাংসারিক কাজ, বর্ণ, গোত্র, অবহেলা, দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, যৌন সম্পর্কসহ নানা কারণে এই নারী ও শিশু নির্যাতন হয়,এর সাথে আছে ধর্ষণের মত ঘৃণ্য কাজ। এসবের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আইনী ব্যবস্থার পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে যে সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান গুলো কাজ করে সকলের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের যে আইন সেই আইন সম্পর্কে সকলের ধারণা থাকার প্রতিও জোর দেন তারা। শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা গ্রুপ কাজ করেন।