সাদুল্লাপুরে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়িতে ৭২ বস্তা সার, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

 

সার নিয়ে বাজারে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যেই গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৭২ বস্তা রাসায়নিক সার উদ্ধারের ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব সার উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহিন সরকারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর মন্দুয়ার এলাকায় শাহিন সরকারের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযানে বাড়িতে মজুদ অবস্থায় ১৩ বস্তা ইউরিয়া, ২৮ বস্তা জিপসাম, ১৬ বস্তা ডিএপি, ১৩ বস্তা টিএসপি ও ২ বস্তা পটাশ পাওয়া যায়। উদ্ধার করা ৭২ বস্তা সারের আনুমানিক মূল্য ৫৬ হাজার ৭০০ টাকা।

কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত এত বিপুল পরিমাণ সার একজন সাবেক জনপ্রতিনিধির বাড়িতে কীভাবে মজুদ হলো—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব সার কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কোথায় সরবরাহ বা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু জরিমানা নয়, সারের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে সার মজুদ ও কালোবাজারি ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি চান তারা।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে অবৈধভাবে মজুদ, বিক্রি কিংবা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালে কৃষ্ণা-মাছুরার টাঙ্গাইল ও উমেহ্লার রাঙামাটি

Verified by MonsterInsights

সাদুল্লাপুরে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়িতে ৭২ বস্তা সার, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

আপলোডের সময় : 08:51:20 pm, Tuesday, 25 August 2026

 

সার নিয়ে বাজারে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যেই গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৭২ বস্তা রাসায়নিক সার উদ্ধারের ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব সার উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহিন সরকারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর মন্দুয়ার এলাকায় শাহিন সরকারের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযানে বাড়িতে মজুদ অবস্থায় ১৩ বস্তা ইউরিয়া, ২৮ বস্তা জিপসাম, ১৬ বস্তা ডিএপি, ১৩ বস্তা টিএসপি ও ২ বস্তা পটাশ পাওয়া যায়। উদ্ধার করা ৭২ বস্তা সারের আনুমানিক মূল্য ৫৬ হাজার ৭০০ টাকা।

কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত এত বিপুল পরিমাণ সার একজন সাবেক জনপ্রতিনিধির বাড়িতে কীভাবে মজুদ হলো—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব সার কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কোথায় সরবরাহ বা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু জরিমানা নয়, সারের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে সার মজুদ ও কালোবাজারি ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি চান তারা।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে অবৈধভাবে মজুদ, বিক্রি কিংবা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।