
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, দেশের এভিয়েশন খাতকে আরও গতিশীল করতে দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে চলে আসা বিদ্যমান বিধিমালা ঢেলে সাজানো হচ্ছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্তকরণ সভায় তিনি এই নতুন উদ্যোগের রূপরেখা তুলে ধরেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো এমন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা যা একই সঙ্গে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব হবে এবং যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সেবার মান নিশ্চিত করবে।
দীর্ঘ ৪২ বছর পর এই পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোকে এই খাতের মূল অংশীজন হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এই খাতের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। সভায় গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে
সভায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল মামুনসহ বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করা সম্ভব হবে। সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার, বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে দেশের আকাশপথে বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দীর্ঘ ৪২ বছর পর বিদ্যমান বিধিমালা সংশোধন করে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা একত্রিত হয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিমানের জটিল যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহলের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি। চাকরির আরও তথ্য: বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর প্রতিনিধিদের উদ্দেশেতিনি বলেন, ‘‘আপনারাই আমাদের মূল অংশীজন।’’ বিনিয়োগ সহজীকরণের লক্ষ্যে বিধিমালা প্রণয়নে তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নতুন বিধিমালার প্রস্তাবিত বিভিন্ন ধারা নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।