সৌদির স্টেডিয়ামের মেকানিক্যাল কাজে কাতারি কোম্পানির ৮২৯ মিলিয়ন রিয়ালের

সৌদি আরবের অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী প্রকল্প এবং ফিফা ২০৩৪ বিশ্বকাপ ফুটবলের অন্যতম প্রধান ভেন্যু ‘প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান স্টেডিয়াম’-এর মেকানিক্যাল কাজের দায়িত্ব পেল কাতারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এস্থেথমার হোল্ডিং। প্রতিষ্ঠানটির কন্টাক্টিং অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ শাখার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘এলেগেন্সিয়া অ্যারাবিয়া ট্রেডিং’ ৮২৯ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল মূল্যের এই বিশাল কর্মযজ্ঞের চুক্তি লাভ করেছে। রিয়াদের অদূরে কুদীয়াইয়া সিটিতে ২০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত তুয়াইক পাহাড়ের চূড়ায় এই অনন্য স্থাপত্যটি নির্মিত হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ রিট্র্যাক্টেবল বা সংকোচনযোগ্য প্রযুক্তি সম্বলিত স্টেডিয়াম হতে যাচ্ছে। এর ছাদ, মাঠ এবং বিশাল এলইডি দেওয়াল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায়ও নিরবচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে সক্ষম করবে। ফুটবল ম্যাচের সময় এটি ৪৭ হাজার দর্শক ধারণ করতে পারলেও অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও বিনোদন ইভেন্টে এর ধারণক্ষমতা ৬০ হাজার ৯০০ ছাড়িয়ে যাবে। বছরে প্রায় ৭৬ লাখ দর্শনার্থী এই স্টেডিয়ামে বিভিন্ন বড় ইভেন্ট উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তির অংশ হিসেবে ‘এলেগেন্সিয়া ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল সার্ভিসেস’ স্টেডিয়ামটিতে হিটিং, ভেন্টিলেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং (HVAC), জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা এবং আধুনিক বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (BMS) স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করবে। সৌদি আরবে এটি তাদের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রকল্প। কাজের বিশাল পরিধি বিবেচনায় এই প্রকল্পে প্রায় ৩ হাজার কর্মী ও প্রকৌশলী ধাপে ধাপে কাজ করবেন।

চলতি সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ২০৩০ সালের মে মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পের মেকানিক্যাল কাজের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এত বড় একটি কৌশলগত প্রকল্পে কাতারি কোম্পানির অংশগ্রহণ আঞ্চলিক বাজারে তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আস্থারই বড় প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে প্রায় ৪০ মিনিট দূরে বিখ্যাত কুদিয়াইয়া সিটিতে ২০০ মিটার উচু তুয়াইক পাহাড়ের চূড়ায় এই স্টেডিয়ামটি নির্মিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ধারণক্ষমতা: ফুটবল ম্যাচের জন্য স্টেডিয়ামটিতে প্রায় ৪৭,০০০ আসন থাকবে এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক বা বিনোদনমূলক ইভেন্টে এর মোট ধারণক্ষমতা ৬০,৯০০ ছাড়িয়ে যাবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মাধ্যমে সারা বছর যেকোনো আবহাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের ইভেন্ট সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

​বগুড়ার নন্দীগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় গৃহবধূসহ নিহত ২

Verified by MonsterInsights

সৌদির স্টেডিয়ামের মেকানিক্যাল কাজে কাতারি কোম্পানির ৮২৯ মিলিয়ন রিয়ালের

আপলোডের সময় : 11:09:09 am, Wednesday, 16 September 2026

সৌদি আরবের অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী প্রকল্প এবং ফিফা ২০৩৪ বিশ্বকাপ ফুটবলের অন্যতম প্রধান ভেন্যু ‘প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান স্টেডিয়াম’-এর মেকানিক্যাল কাজের দায়িত্ব পেল কাতারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এস্থেথমার হোল্ডিং। প্রতিষ্ঠানটির কন্টাক্টিং অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ শাখার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘এলেগেন্সিয়া অ্যারাবিয়া ট্রেডিং’ ৮২৯ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল মূল্যের এই বিশাল কর্মযজ্ঞের চুক্তি লাভ করেছে। রিয়াদের অদূরে কুদীয়াইয়া সিটিতে ২০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত তুয়াইক পাহাড়ের চূড়ায় এই অনন্য স্থাপত্যটি নির্মিত হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ রিট্র্যাক্টেবল বা সংকোচনযোগ্য প্রযুক্তি সম্বলিত স্টেডিয়াম হতে যাচ্ছে। এর ছাদ, মাঠ এবং বিশাল এলইডি দেওয়াল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায়ও নিরবচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে সক্ষম করবে। ফুটবল ম্যাচের সময় এটি ৪৭ হাজার দর্শক ধারণ করতে পারলেও অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও বিনোদন ইভেন্টে এর ধারণক্ষমতা ৬০ হাজার ৯০০ ছাড়িয়ে যাবে। বছরে প্রায় ৭৬ লাখ দর্শনার্থী এই স্টেডিয়ামে বিভিন্ন বড় ইভেন্ট উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তির অংশ হিসেবে ‘এলেগেন্সিয়া ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল সার্ভিসেস’ স্টেডিয়ামটিতে হিটিং, ভেন্টিলেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং (HVAC), জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা এবং আধুনিক বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (BMS) স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করবে। সৌদি আরবে এটি তাদের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রকল্প। কাজের বিশাল পরিধি বিবেচনায় এই প্রকল্পে প্রায় ৩ হাজার কর্মী ও প্রকৌশলী ধাপে ধাপে কাজ করবেন।

চলতি সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ২০৩০ সালের মে মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পের মেকানিক্যাল কাজের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এত বড় একটি কৌশলগত প্রকল্পে কাতারি কোম্পানির অংশগ্রহণ আঞ্চলিক বাজারে তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আস্থারই বড় প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে প্রায় ৪০ মিনিট দূরে বিখ্যাত কুদিয়াইয়া সিটিতে ২০০ মিটার উচু তুয়াইক পাহাড়ের চূড়ায় এই স্টেডিয়ামটি নির্মিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ধারণক্ষমতা: ফুটবল ম্যাচের জন্য স্টেডিয়ামটিতে প্রায় ৪৭,০০০ আসন থাকবে এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক বা বিনোদনমূলক ইভেন্টে এর মোট ধারণক্ষমতা ৬০,৯০০ ছাড়িয়ে যাবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মাধ্যমে সারা বছর যেকোনো আবহাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের ইভেন্ট সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।