
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার দুটি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এখন তিনটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো। আশিয়া ও কাশিয়াইশ ইউনিয়নের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহেলা আর টানাটানির কারণে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন প্রায় ৩০টি পরিবারের বাসিন্দারা। সমাধান না পাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে থাকা এলাকাবাসী এবার স্থানীয় সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। চট্টগ্রামের পটিয়ায় দুই ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের রশি টানাটানিতে ৩০ পরিবারের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাশিয়াইশ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড এবং আশিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সংযোগস্থল পিঙ্গলা শেখপাড়া এলাকার সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দেড় দশক আগে সড়কটি খালের পানিতে বিলীন হয়ে গেলে বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা সাঁকো তৈরি করেন। সাঁকো সংলগ্ন ৩০টি পরিবারের পাশাপাশি আশিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের এক বিরাট অংশের মানুষকে প্রতিনিয়ত এই পথ ব্যবহার করতে হয়। বছরের অন্তত ছয় মাস পুরো এলাকায় হাঁটুপানি জমে থাকে, ফলে জনপ্রতিনিধিরা যাতায়াত করলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ মেটেনি।
যোগাযোগের এই করুণ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে পটিয়া উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ জানান, উক্ত পথটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আইডিভুক্ত কোনো সড়ক নয়। যে কারণে সরকারি কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে এর সংস্কার বা নির্মাণের ব্যবস্থা রাখা সম্ভব হয়নি। তবে রাস্তাটিকে দ্রুত আইডিভুক্ত করার জন্য প্রাক-প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান এ বিষয়ে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বা ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়নি। স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক আবেদন পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধির নাম 

























