
দেশের ১০ জেলায় কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদক নির্মূলে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ১ হাজার ২৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রবিবার থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত চলমান এই অভিযানে কিশোর গ্যাংবিরোধী কার্যক্রমে ৭৯৪ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ৬১৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং বাকি ১৭৮ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, চট্টগ্রামে ৮৯ জন, কুমিল্লায় ৩৬২, নোয়াখালীতে ১৩৭, লক্ষ্মীপুরে ১২৮, কক্সবাজারে ১৮, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৬, চাঁদপুরে ১৭, ফেনীতে ৫, রাঙামাটিতে ১০ এবং খাগড়াছড়িতে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের আট সদস্যকেও গ্রেপ্তার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী; যার মধ্যে কুমিল্লায় চারজন, নোয়াখালীতে একজন, রাঙামাটিতে দুজন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৯৫, আগের মামলায় ৬২, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ২৮, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৮ এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৩২ জন আসামি রয়েছেন। এছাড়া পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার হওয়া ১২১ জন, সাজাপ্রাপ্ত ২৪ জন, মাদক মামলায় ৭১ জনসহ মোট ১১৮ জনকে সরাসরি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর বাইরে নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় মাদক কারবারি হিসেবে আরও ৪৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ জনকে কারাদণ্ড এবং ৮ হাজার ৭৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া ৩৯টি মাদক মামলা দায়ের করে ৭ হাজার ২৩৭ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৩০ গ্রাম গাঁজা, ১১৩ লিটার চোলাই মদ, ১০০টি ট্যাডেন্টাডল ট্যাবলেট, ৪৬ বোতল বিদেশি মদ, ১২ বোতল রয়্যাল স্ট্যাগ ডিলাক্স হুইস্কি ও ৪৮ ক্যান বিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রতিনিধির নাম 

























