
শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে মানুষের বাড়ি ফেরা সুগম করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ৩ জোড়া অতিরিক্ত ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা শেখ রবিউল আলমের নির্দেশে মঙ্গলবার থেকে এসব ট্রেন চলাচল শুরু করার কথা। একই সঙ্গে যাত্রীদের পথচলা স্বস্তিদায়ক করতে মঙ্গলবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ‘দুর্গাপূজা বিশেষ বাস সার্ভিস’ পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)।
বাস চলাচল ও টিকিট ব্যবস্থাপনা
দূরপাল্লার যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে দেশের ২২টি ডিপো থেকে ২০০টি বিশেষ বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর বড় একটি অংশ ঢাকার নানা প্রান্ত ও গাজীপুর থেকে ছেড়ে ২৬টি জেলা শহরসহ বিভিন্ন আন্তঃজেলা রুটে যাতায়াত করবে। এসব বাসের অগ্রিম টিকিট বুকিং ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। বিআরটিসি জানিয়েছে, সড়কে যাত্রীচাহিদা বৃদ্ধি পেলে বাসের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য যাত্রীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিআরটিসি জানিয়েছে, যাত্রীদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বাসের সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে।
নজরদারি ও সার্বিক নিরাপত্তা
পূজার ছুটিতে বাড়তি ভাড়া আদায়, টিকিটের কালোবাজারি কিংবা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি কঠোরভাবে দমনের হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। যাত্রী হয়রানি ঠেকাতে ভিজিল্যান্স টিম ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সক্রিয় থাকবে। এছাড়া বিভিন্ন সেতুর টোল প্লাজায় নিরবচ্ছিন্ন যানবাহন চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নৌ, রেল ও সড়কপথের সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় সব সংস্থাকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন উপদেষ্টা শেখ রবিউল আলম। সড়ক, রেল ও নৌপথের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এদিকে উৎসবের আনন্দ যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা, টিকিটের কালোবাজারি কিংবা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে ব্যাহত না হয়—সে বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন নৌ ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী।
প্রতিনিধির নাম 

























