অবশেষে বদলি শাজাহানপুরে ইউএনও তাহমিদা আক্তার

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শাজাহানপুরে উপজেলার বহুল বিতর্কিত, আলোচিত ও সমালোচিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিদা আক্তার বদলির আদেশ হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে তাহমিদা আক্তার (পরিচিতি নং-১৭৭৫১) কে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলায় বদলী করা হয়েছে।

সোমবার (৮ এপ্রিল) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মাঠ প্রশাসন শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী কমিশনার প্রিয়াংকা দাস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য পাওয়া যায়।

জানা যায়, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ইউএনও এ উপজেলায় যোগদান করেন।নানা অনিয়মের কারণে মাত্র ৪ মাসে তাকে বদলি করা হয়।

এর আগে ইউএনও তাহমিদা আক্তার নামে অনিয়ম, দূর্নীতি অভিযোগ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

যার অনুলিপি রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, বগুড়া জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে,সন্ত্রাসী ও অসাধু মাটি ব্যবসায়ী,হাট ইজারাদারের

সঙ্গে গোপনে উপঢৌকন গ্রহণ। মাটি ব্যবসায়ী কাছ থেকে পুকুরের বড় বড় মাছ গ্রহন করে ইউএনও মাটি কাটার সুযোগ করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উঠেছিল।

এছাড়াও তিনি সাধারণ জনগণ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ঠিকাদার এমন কি তার স্টাফদের সাথেও অসদাচারন করেন।ঠিকাদারা জানিয়েছেন ঘুষ ছাড়া তিনি কোন ফাইল স্বাক্ষর করেন না। তার অনিয়মের জেনে যাওয়ায় ২ স্টাফকে ইউএনও তদবির করে অন্যেত্র বদলী দিয়েছেন।

ইউএনও’র বদলির সংবাদ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে তার দ্বারা ভুক্তভোগীরাসহ সমাজের নানা শ্রেণী- পেশার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।ইফতার পরবর্তী ঠিকাদারগণ মিষ্টি বিতরণ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানে এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Verified by MonsterInsights

অবশেষে বদলি শাজাহানপুরে ইউএনও তাহমিদা আক্তার

আপলোডের সময় : 03:06:43 pm, Tuesday, 9 April 2024

স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শাজাহানপুরে উপজেলার বহুল বিতর্কিত, আলোচিত ও সমালোচিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিদা আক্তার বদলির আদেশ হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে তাহমিদা আক্তার (পরিচিতি নং-১৭৭৫১) কে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলায় বদলী করা হয়েছে।

সোমবার (৮ এপ্রিল) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মাঠ প্রশাসন শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী কমিশনার প্রিয়াংকা দাস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য পাওয়া যায়।

জানা যায়, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ইউএনও এ উপজেলায় যোগদান করেন।নানা অনিয়মের কারণে মাত্র ৪ মাসে তাকে বদলি করা হয়।

এর আগে ইউএনও তাহমিদা আক্তার নামে অনিয়ম, দূর্নীতি অভিযোগ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

যার অনুলিপি রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, বগুড়া জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে,সন্ত্রাসী ও অসাধু মাটি ব্যবসায়ী,হাট ইজারাদারের

সঙ্গে গোপনে উপঢৌকন গ্রহণ। মাটি ব্যবসায়ী কাছ থেকে পুকুরের বড় বড় মাছ গ্রহন করে ইউএনও মাটি কাটার সুযোগ করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উঠেছিল।

এছাড়াও তিনি সাধারণ জনগণ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ঠিকাদার এমন কি তার স্টাফদের সাথেও অসদাচারন করেন।ঠিকাদারা জানিয়েছেন ঘুষ ছাড়া তিনি কোন ফাইল স্বাক্ষর করেন না। তার অনিয়মের জেনে যাওয়ায় ২ স্টাফকে ইউএনও তদবির করে অন্যেত্র বদলী দিয়েছেন।

ইউএনও’র বদলির সংবাদ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে তার দ্বারা ভুক্তভোগীরাসহ সমাজের নানা শ্রেণী- পেশার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।ইফতার পরবর্তী ঠিকাদারগণ মিষ্টি বিতরণ করেন।