বান্দরবান জেলা বিএনপির জনসভায় বক্তারা ‘মানুষ ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি চেয়েছিল গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য’

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বান্দরবানে জনসভার আয়োজন করেছে জেলা বিএনপি। বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতি মিসেন মাম্যাচিং ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজার উদ্যাগে প্রেসক্লাব চত্বরে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।এর আগে দুপুরে বিএনপিসহ দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হাজার হাজার কর্মীরা দলে দলে জেলা সদরের রাজার মাঠে এসে জড়ো হয়। এর পর বিশাল মিছিলযোগে উজানিপাড়া হয়ে এক কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে জনসভা স্থলে মিলিত হয়। বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো.জাবেদ রেজার সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপত্বি করেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতি ম্যামাচিং। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তুষারসহ জেলা বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা সহ প্রমূখ।জনসভায় বক্তারা বলেন, ১৬ বছর পর এসে বান্দরবানে বিএনপি স্বতস্ফুর্তভাবে কর্মসূচি করতে পারছে। ওই ১৬ বছরে স্বৈরাচার অবৈধ আওয়ামী লীগের সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধিরা অনবরত বাধা দিয়ে এসেছে। এর অংশ হিসেবে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়েছে হয়রানি করে রেখেছিল। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বান্দরবানের আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা দুর্নীতি করে দৃশ্যমান সম্পদ গড়ে তোলে। এই দুর্নীতির বিষয়ে দুদককে তদন্ত করার আহবান জানান বক্তারা। বিএনপি নেতারা আরো বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ছিল শুধু কোটা বিরোধী আন্দোলন। ফ্যাসিবাদের ভয়াল থাবায় যখন ছাত্র আন্দোলন প্রায় থমকে গিয়েছিল ঠিক সেই মুহূর্তেই জাতীর কাণ্ডারির ভূমিকায় এই আন্দোলনকে ছাত্র জনতার আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন তারেক রহমান। দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে মুক্তি চেয়েছিল একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা না হ‌ওয়া পর্যন্ত আমাদের রক্তে ভেজা বিপ্লবকে সফল বলা যাবে না। গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করতে দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কারের অগ্রগতি দৃশ্যমান না হলে জনমনে অসন্তোষ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্কারের সময়কাল নির্ধারণ করা না হলে লক্ষ্যে পৌঁছানো ক্রমান্বয়ে কঠিন আকার ধারণ করবে। দুই সহস্রাধিক শহীদের রক্তে অর্জিত বিপ্লবকে সফল করতে বিএনপি বদ্ধ পরিকর। তারেক রহমানের ইস্পাত কঠিন নেতৃত্বে বিএনপি সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালে কৃষ্ণা-মাছুরার টাঙ্গাইল ও উমেহ্লার রাঙামাটি

Verified by MonsterInsights

বান্দরবান জেলা বিএনপির জনসভায় বক্তারা ‘মানুষ ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি চেয়েছিল গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য’

আপলোডের সময় : 12:34:33 pm, Thursday, 14 November 2024

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বান্দরবানে জনসভার আয়োজন করেছে জেলা বিএনপি। বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতি মিসেন মাম্যাচিং ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রেজার উদ্যাগে প্রেসক্লাব চত্বরে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।এর আগে দুপুরে বিএনপিসহ দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হাজার হাজার কর্মীরা দলে দলে জেলা সদরের রাজার মাঠে এসে জড়ো হয়। এর পর বিশাল মিছিলযোগে উজানিপাড়া হয়ে এক কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে জনসভা স্থলে মিলিত হয়। বান্দরবান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো.জাবেদ রেজার সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপত্বি করেন বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতি ম্যামাচিং। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তুষারসহ জেলা বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা সহ প্রমূখ।জনসভায় বক্তারা বলেন, ১৬ বছর পর এসে বান্দরবানে বিএনপি স্বতস্ফুর্তভাবে কর্মসূচি করতে পারছে। ওই ১৬ বছরে স্বৈরাচার অবৈধ আওয়ামী লীগের সরকারের স্থানীয় প্রতিনিধিরা অনবরত বাধা দিয়ে এসেছে। এর অংশ হিসেবে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়েছে হয়রানি করে রেখেছিল। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বান্দরবানের আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা দুর্নীতি করে দৃশ্যমান সম্পদ গড়ে তোলে। এই দুর্নীতির বিষয়ে দুদককে তদন্ত করার আহবান জানান বক্তারা। বিএনপি নেতারা আরো বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ছিল শুধু কোটা বিরোধী আন্দোলন। ফ্যাসিবাদের ভয়াল থাবায় যখন ছাত্র আন্দোলন প্রায় থমকে গিয়েছিল ঠিক সেই মুহূর্তেই জাতীর কাণ্ডারির ভূমিকায় এই আন্দোলনকে ছাত্র জনতার আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন তারেক রহমান। দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে মুক্তি চেয়েছিল একটি গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা না হ‌ওয়া পর্যন্ত আমাদের রক্তে ভেজা বিপ্লবকে সফল বলা যাবে না। গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করতে দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কারের অগ্রগতি দৃশ্যমান না হলে জনমনে অসন্তোষ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্কারের সময়কাল নির্ধারণ করা না হলে লক্ষ্যে পৌঁছানো ক্রমান্বয়ে কঠিন আকার ধারণ করবে। দুই সহস্রাধিক শহীদের রক্তে অর্জিত বিপ্লবকে সফল করতে বিএনপি বদ্ধ পরিকর। তারেক রহমানের ইস্পাত কঠিন নেতৃত্বে বিএনপি সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।