সোনামুখী বাজারে হরম রকমে পিঠার আসর

মাহমুদুল হাসান শুভ. কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জে জেলায় কাজীপুর থানায় সোনামুখী ইউনিয়নে শীত আসলেই হরেক রকমের পিঠা পাওয়া যায়। আর পিঠা খাওয়ার জন্য ভিড় জমাতে থাকে ছোট- বড়, ধনী-গরীব সহ সব শেণী পেশার মানুষ  পিঠা খাওয়া জন্য ভিড় করে সোনামুখী বাজারে । এই পিঠা পাওয়া যায় বিকাল থেকে রাত ১০.টা পযন্ত। একজন পিঠা বিক্রেতা পিঠা বিক্রি করে  প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর সোনামুখী বাজারে পিথা বিক্রি করেন। তিনি বলেন, তার দোকানে বিকাল থেকে রাত দশটা পযন্ত ভিড় থাকে।  এমন সময়ও আসে পিঠার জন্য লোকজনেরা লাইন ধরে  দাঁড়িয়ে থাকে। বিশেষ করে সব থেকে বেশি বিক্রি হয় ফাঁপা পিঠা ও ঝালের পিঠা । এই দুই পিঠার চাহিদা সব থেকে বেশি । তিনি আরো বলেন, এখানে অনেক দূর দুরান্ত থেকে লোকজন আসে পিঠা খাওয়া জন্য। আবার কেউ কেউ আসে পিঠা নিয়ে যাওয়া জন্য। সব জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারনে এখন পাঁচ টাকা পিঠা হয়ে গিয়েছে দশ টাকায়। তার প্রতিদিন প্রায় ১৫০০ থেকে ২.০০০ হাজার টাকার পযন্ত পিঠা বিক্রি করে হয়ে থাকেন। এখানে স্হানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে আমরা জানতে পারি, সোনামুখী বাজারে যে পিঠা পাওয়া যায় সে পিঠা খুবই সুস্বাদু ।সেই স্বাদের জন্যই এখানে পিঠা খেতে সন্ধ্যা পরে শত-শত মানুষ ভিড় করে থাকেন। বিশেষ করে ছুটির দিনে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়ে থাকে পিঠা খাওয়ার জন্য।সেদিন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ।আবার দেখা যায় কোনো সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পিঠা পাওয়া যায় না ।ছুটির দিনে এমনই ভিড় থাকে পিঠার দোকান গুলোতে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

সোনামুখী বাজারে হরম রকমে পিঠার আসর

আপলোডের সময় : 08:05:11 am, Friday, 5 January 2024

মাহমুদুল হাসান শুভ. কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জে জেলায় কাজীপুর থানায় সোনামুখী ইউনিয়নে শীত আসলেই হরেক রকমের পিঠা পাওয়া যায়। আর পিঠা খাওয়ার জন্য ভিড় জমাতে থাকে ছোট- বড়, ধনী-গরীব সহ সব শেণী পেশার মানুষ  পিঠা খাওয়া জন্য ভিড় করে সোনামুখী বাজারে । এই পিঠা পাওয়া যায় বিকাল থেকে রাত ১০.টা পযন্ত। একজন পিঠা বিক্রেতা পিঠা বিক্রি করে  প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর সোনামুখী বাজারে পিথা বিক্রি করেন। তিনি বলেন, তার দোকানে বিকাল থেকে রাত দশটা পযন্ত ভিড় থাকে।  এমন সময়ও আসে পিঠার জন্য লোকজনেরা লাইন ধরে  দাঁড়িয়ে থাকে। বিশেষ করে সব থেকে বেশি বিক্রি হয় ফাঁপা পিঠা ও ঝালের পিঠা । এই দুই পিঠার চাহিদা সব থেকে বেশি । তিনি আরো বলেন, এখানে অনেক দূর দুরান্ত থেকে লোকজন আসে পিঠা খাওয়া জন্য। আবার কেউ কেউ আসে পিঠা নিয়ে যাওয়া জন্য। সব জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারনে এখন পাঁচ টাকা পিঠা হয়ে গিয়েছে দশ টাকায়। তার প্রতিদিন প্রায় ১৫০০ থেকে ২.০০০ হাজার টাকার পযন্ত পিঠা বিক্রি করে হয়ে থাকেন। এখানে স্হানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে আমরা জানতে পারি, সোনামুখী বাজারে যে পিঠা পাওয়া যায় সে পিঠা খুবই সুস্বাদু ।সেই স্বাদের জন্যই এখানে পিঠা খেতে সন্ধ্যা পরে শত-শত মানুষ ভিড় করে থাকেন। বিশেষ করে ছুটির দিনে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়ে থাকে পিঠা খাওয়ার জন্য।সেদিন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ।আবার দেখা যায় কোনো সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পিঠা পাওয়া যায় না ।ছুটির দিনে এমনই ভিড় থাকে পিঠার দোকান গুলোতে।