ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে অপতথ্য না ছড়ানোর আহ্বান ডিএমপি’র

রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে নিশংসভাবে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করার পর আসামিদের কিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে তথ্য দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ‌ একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতথ্য না ছড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছে ডিএমপি।

রোববার (১৩ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “গত ৯ জুলাই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় পুলিশি তৎপরতা সম্পর্কে বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমে ভুল ব্যাখ্যা সম্পর্কে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ওই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান মহিনকে হেফাজতে নেয় এবং তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক ঘটনার সাথে জড়িত তারেক রহমান রবিনকেও গ্রেপ্তার করে। একইসাথে ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পাওয়া গেছে যা পুলিশি তদন্তের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।”

“তথাপি ঐ ঘটনায় পুলিশি তৎপরতা সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে নানা ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছেন যা মোটেই কাম্য নয়। এমতাবস্থায় ঐ ঘটনা সম্পর্কে কোনরূপ অপতথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তে পুলিশের ওপর আস্থা রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে বিনীত অনুরোধ করা হলো।”

এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং প্রকৃত অপরাধীরা যে দল বা মতের লোকই হোক না তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত এক

Verified by MonsterInsights

ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে অপতথ্য না ছড়ানোর আহ্বান ডিএমপি’র

আপলোডের সময় : 09:44:31 am, Sunday, 13 July 2025

রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে নিশংসভাবে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করার পর আসামিদের কিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে তথ্য দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ‌ একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতথ্য না ছড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছে ডিএমপি।

রোববার (১৩ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “গত ৯ জুলাই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় পুলিশি তৎপরতা সম্পর্কে বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমে ভুল ব্যাখ্যা সম্পর্কে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ওই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান মহিনকে হেফাজতে নেয় এবং তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক ঘটনার সাথে জড়িত তারেক রহমান রবিনকেও গ্রেপ্তার করে। একইসাথে ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পাওয়া গেছে যা পুলিশি তদন্তের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।”

“তথাপি ঐ ঘটনায় পুলিশি তৎপরতা সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে নানা ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছেন যা মোটেই কাম্য নয়। এমতাবস্থায় ঐ ঘটনা সম্পর্কে কোনরূপ অপতথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তে পুলিশের ওপর আস্থা রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে বিনীত অনুরোধ করা হলো।”

এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং প্রকৃত অপরাধীরা যে দল বা মতের লোকই হোক না তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।