
জীবন যেখানে ৪ বছরের এক শিশুর কাছে খেলার মাঠ হওয়ার কথা, সেখানে সে মৃত্যু’র প্রহর গুনছে দুটি অকেজো কিডনি নিয়ে। প্রতিদিন ৭-৮ লিটার পানি পান করে কোনোমতে বেঁচে আছে ৪ বছর বয়সী শিশু সুবাস চন্দ্র। তার এই অসহনীয় কষ্ট দেখে বুক ফেটে যাচ্ছে পরিবার ও স্বজনদের।
নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ছাতারদিঘী ইউনিয়নের করচমারিয়া গ্রামের হতদরিদ্র শ্রীকান্ত দাসের ছেলে সুবাস। পরিবারটির একমাত্র অবলম্বন শ্রীকান্ত ছেলের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে আজ নিঃস্ব প্রায়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুবাসের দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে তার জীবন বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিচর্যার প্রয়োজন। কিন্তু শ্রীকান্ত দাসের দিনমজুরীর সামান্য আয় দিয়ে ছেলের এমন ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো অসম্ভব। সুবাসের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন আনুমানিক ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা। এই বিপুল অঙ্কের টাকা জোগাড় করা এই দরিদ্র পরিবারের কাছে অসম্ভব।
সুবাসের মা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “আমার ছেলেটা দিনে দিনে শুকিয়ে যাচ্ছে। ওর মুখে হাসি নেই, চোখে শুধু ভয় আর কষ্ট। ডাক্তার বলছেন, এখনই কিছু না করলে হয়তো বাঁচানো যাবে না। আমরা কীভাবে এত টাকা জোগাড় করব? আমাদের সব শেষ হয়ে যাচ্ছে।”
সুবাসের বাবা শ্রীকান্ত দাস জানান, ইতোমধ্যেই জায়গা বিক্রি করে এবং বিভিন্ন মানুষের কাছে ধার-দেনা করে কিছু টাকা জোগাড় করেছিলেন, কিন্তু তা চিকিৎসার প্রাথমিক খরচ মেটাতেই শেষ হয়ে গেছে। সমাজের বিত্তবান, প্রবাসীসহ স্বহৃদয়বান ব্যাক্তিদের কাছে মানবিক সাহায্যের আর্তি জানাচ্ছি।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশ / নগদ (পার্সোনাল): 01799-294682 (সুবাস চন্দ্রের বাবা, শ্রীকান্ত দাস)।