জলঢাকায় চাষাবাদ জমি বসতবাড়ি ও গাছপালা নদী ভাঙ্গনের কবলে

 

অতিরিক্ত বৃষ্টিবাদলের কারণে উত্তাল স্রোতে বসতবাড়ি, গাছপালা ও চাষাবাদ জমিসহ নতুন পুরাতন কবর ভেঙে নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে, এতে বিপাকে পরেছে সাধারণ মানুষ। নদীর তীরবর্তী মানুষের দাবি দ্রুত বাঁধ নির্মাণের। যাতে নদীগর্ভ রক্ষা পায় অবশিষ্ট চাষাবাদ জমি বসতবাড়ি ও গাছপালাসহ নতুন পুরাতন কবর গুলো।

সোমবার (১৮-জুলাই) সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার ৬নং শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বাশদাহ এলাকার কোল ঘেষা দেওনাই চারালকাটা নদী। চলতি বর্ষায় নদী ভেঙে নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে বসতবাড়ি, গাছপালা ও চাষাবাদ জমিসহ নতুন পুরাতন প্রায় শতাধিক কবর। নদী ভাঙ্গনের আতংকে দিনাতিপাত করছে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। এসব ভুক্তভোগীরা জানান, আমরা সবসময় আতংকে থাকি, রাতে ঘুমোতে পারিনা, নদীর পানি কমতে থাকলে নদী ভাঙ্গন বাড়তে থাকে। ভুক্তভোগীরা জানান, এভাবে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে আমরা সর্ব শান্ত হবো, আমাদের অবশিষ্ট জায়গা জমি, কাঁচা-পাকা বাড়ি ও মসজিদ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো নদীগর্ভে বিলুপ্ত হতে পারে। তাই এলাকাবাসীর দাবি দেওনাই চারালকাটা নদী ভাঙ্গনরোধে দ্রুত বাঁধ নির্মাণ। বাঁধ নির্মাণের জন্য একাধিক বার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কতৃপক্ষকে অবগত করলেও কোন প্রকার সারা মেলেনি।
এব্যাপারে জানতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলীসহ একাধিক কর্মকর্তাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে কাউকে পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক

Verified by MonsterInsights

জলঢাকায় চাষাবাদ জমি বসতবাড়ি ও গাছপালা নদী ভাঙ্গনের কবলে

আপলোডের সময় : 05:32:35 pm, Monday, 18 August 2025

 

অতিরিক্ত বৃষ্টিবাদলের কারণে উত্তাল স্রোতে বসতবাড়ি, গাছপালা ও চাষাবাদ জমিসহ নতুন পুরাতন কবর ভেঙে নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে, এতে বিপাকে পরেছে সাধারণ মানুষ। নদীর তীরবর্তী মানুষের দাবি দ্রুত বাঁধ নির্মাণের। যাতে নদীগর্ভ রক্ষা পায় অবশিষ্ট চাষাবাদ জমি বসতবাড়ি ও গাছপালাসহ নতুন পুরাতন কবর গুলো।

সোমবার (১৮-জুলাই) সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার ৬নং শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বাশদাহ এলাকার কোল ঘেষা দেওনাই চারালকাটা নদী। চলতি বর্ষায় নদী ভেঙে নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে বসতবাড়ি, গাছপালা ও চাষাবাদ জমিসহ নতুন পুরাতন প্রায় শতাধিক কবর। নদী ভাঙ্গনের আতংকে দিনাতিপাত করছে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। এসব ভুক্তভোগীরা জানান, আমরা সবসময় আতংকে থাকি, রাতে ঘুমোতে পারিনা, নদীর পানি কমতে থাকলে নদী ভাঙ্গন বাড়তে থাকে। ভুক্তভোগীরা জানান, এভাবে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে আমরা সর্ব শান্ত হবো, আমাদের অবশিষ্ট জায়গা জমি, কাঁচা-পাকা বাড়ি ও মসজিদ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো নদীগর্ভে বিলুপ্ত হতে পারে। তাই এলাকাবাসীর দাবি দেওনাই চারালকাটা নদী ভাঙ্গনরোধে দ্রুত বাঁধ নির্মাণ। বাঁধ নির্মাণের জন্য একাধিক বার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কতৃপক্ষকে অবগত করলেও কোন প্রকার সারা মেলেনি।
এব্যাপারে জানতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলীসহ একাধিক কর্মকর্তাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে কাউকে পাওয়া যায়নি।