সিলেটে উৎমাছড়া পর্যটনকেন্দ্র থেকে ২ লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার

 

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় দুই লাখ ঘনফুট লুট করা পাথর উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার (২০ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হক।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ৪৮ বিজিবির উৎমা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল উপজেলার আদর্শগ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় বিপুল পরিমাণ মজুদকৃত পাথর উদ্ধার হয়।

বিজিবি জানায়, উৎমাছড়া একটি প্রাকৃতিকভাবে বালু ও পাথরে সমৃদ্ধ পর্যটন এলাকা। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে এখান থেকে পাথর উত্তোলন করে পাচারের উদ্দেশ্যে আদর্শপাড়া গ্রামের বিভিন্ন স্থানে মজুদ করে আসছিল। তবে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির কড়া নজরদারি, দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং চক্রগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে এসব পাথর দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পাচার করতে পারেনি।

প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকৃত পাথরের পরিমাণ প্রায় দুই লাখ ঘনফুট বলে ধারণা করছে বিজিবি।

পরবর্তীতে সিলেট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইফ্রাহিম ইকবাল চৌধুরীর নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে পাথরের সঠিক পরিমাপ এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ চলছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

সিলেটে উৎমাছড়া পর্যটনকেন্দ্র থেকে ২ লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার

আপলোডের সময় : 04:11:55 pm, Wednesday, 20 August 2025

 

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমাছড়া সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় দুই লাখ ঘনফুট লুট করা পাথর উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার (২০ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হক।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ৪৮ বিজিবির উৎমা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল উপজেলার আদর্শগ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় বিপুল পরিমাণ মজুদকৃত পাথর উদ্ধার হয়।

বিজিবি জানায়, উৎমাছড়া একটি প্রাকৃতিকভাবে বালু ও পাথরে সমৃদ্ধ পর্যটন এলাকা। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে এখান থেকে পাথর উত্তোলন করে পাচারের উদ্দেশ্যে আদর্শপাড়া গ্রামের বিভিন্ন স্থানে মজুদ করে আসছিল। তবে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির কড়া নজরদারি, দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং চক্রগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে এসব পাথর দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পাচার করতে পারেনি।

প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকৃত পাথরের পরিমাণ প্রায় দুই লাখ ঘনফুট বলে ধারণা করছে বিজিবি।

পরবর্তীতে সিলেট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইফ্রাহিম ইকবাল চৌধুরীর নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে পাথরের সঠিক পরিমাপ এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ চলছে।