নীলফামারীতে ৮৪৭টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গা উৎসব

সম্মিলিত ভাবে শারদীয় উৎসব সম্পন্নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোন ত্রুটি যাতে না থাকে সেজন্য সবাইকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মন্ডপ ভিত্তিক নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। এছাড়া সিসি ক্যামেরাও আওতায় থাকবে পুরো মন্ডপগুলো। জেলা পূজা মন্ডপসমূহে নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় মঙ্গলবার দুপুরে (১৬ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সভায় নীলফামারী পৌরসভার প্রশাসক সাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবিএম ফয়জুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক মীর সেলিম ফারুক ও সদস্য সচিব এএইচএম সাইফুল্লাহ রুবেল, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার ও নায়েবে আমীর ড. খায়রুল আনাম, জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ইয়াসিন আলী, জেলা এনসিপির দপ্তর সম্পাদক আখতারুজ্জামান, গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা আহবায়ক প্রবীর গুহ রিন্টু বক্তব্য দেন। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় সভাটি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সভাটির সঞ্চালনা করেন। সভায় বক্তারা নির্ভয়ে ও উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্নে সনাতন ধর্মাবলম্বিদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর গেল বছরও উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গুজবে কান না দেয়ার আহবান জানিয়ে বক্তারা বলেন, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষ আপনাদের পাশে রয়েছেন। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরেই নয় আমরা সবসময় সনাতন ধর্মাবলম্বিদের পাশে রয়েছি। দলের তরফ থেকে ইতোমধ্যে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ফ্রণ্টের নেতৃবৃন্দকে নিদের্শ দেয়া হয়েছে এবং তৃণমুলে মন্ডপ ঘিরে কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের প্রত্যেক কর্মী কাজ করবেন। জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বি ভাই বোনেরাও এদেশের নাগরিক। তাদের বাঁকা চোখে দেখার কোন কারণ নেই। তারা তাদের ধর্ম পালন করবে এটাই স্বাভাবিক। আমরাও দলের তরফ থেকে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব মুখর পরিবেশে আয়োজনে সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করেছি। নীলফামারী জেলায় ৮শ ৪৭টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে মন্ডপ প্রতি ৫’শ কেজি করে চাল দিয়েছে ত্রাণ অধিদপ্তর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

নীলফামারীতে ৮৪৭টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গা উৎসব

আপলোডের সময় : 01:19:10 am, Wednesday, 17 September 2025

সম্মিলিত ভাবে শারদীয় উৎসব সম্পন্নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোন ত্রুটি যাতে না থাকে সেজন্য সবাইকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মন্ডপ ভিত্তিক নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। এছাড়া সিসি ক্যামেরাও আওতায় থাকবে পুরো মন্ডপগুলো। জেলা পূজা মন্ডপসমূহে নিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় মঙ্গলবার দুপুরে (১৬ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সভায় নীলফামারী পৌরসভার প্রশাসক সাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবিএম ফয়জুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক মীর সেলিম ফারুক ও সদস্য সচিব এএইচএম সাইফুল্লাহ রুবেল, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার ও নায়েবে আমীর ড. খায়রুল আনাম, জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ইয়াসিন আলী, জেলা এনসিপির দপ্তর সম্পাদক আখতারুজ্জামান, গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা আহবায়ক প্রবীর গুহ রিন্টু বক্তব্য দেন। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় সভাটি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সভাটির সঞ্চালনা করেন। সভায় বক্তারা নির্ভয়ে ও উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্নে সনাতন ধর্মাবলম্বিদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর গেল বছরও উৎসব মুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গুজবে কান না দেয়ার আহবান জানিয়ে বক্তারা বলেন, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষ আপনাদের পাশে রয়েছেন। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরেই নয় আমরা সবসময় সনাতন ধর্মাবলম্বিদের পাশে রয়েছি। দলের তরফ থেকে ইতোমধ্যে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ফ্রণ্টের নেতৃবৃন্দকে নিদের্শ দেয়া হয়েছে এবং তৃণমুলে মন্ডপ ঘিরে কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের প্রত্যেক কর্মী কাজ করবেন। জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বি ভাই বোনেরাও এদেশের নাগরিক। তাদের বাঁকা চোখে দেখার কোন কারণ নেই। তারা তাদের ধর্ম পালন করবে এটাই স্বাভাবিক। আমরাও দলের তরফ থেকে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব মুখর পরিবেশে আয়োজনে সহযোগী হিসেবে কাজ শুরু করেছি। নীলফামারী জেলায় ৮শ ৪৭টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে মন্ডপ প্রতি ৫’শ কেজি করে চাল দিয়েছে ত্রাণ অধিদপ্তর।