বিজ্ঞানের উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে নীলফামারীতে হারিয়ে যাচ্ছে গরুর হাল

 

নীলফামারীতে হারিয়ে যাচ্ছে গরুর হাল। একটা সময় জমি চাষাবাদের জন্য নির্ভরযোগ্য হলেও এটির ব্যবহার নেই বললেও চলে। তবে জেলার কিছু সংখ্যক পরিবার ধরে আছে ঐতিহ্যের গৌরব গরুর হাল।
সরেজমিনে এই হালের সম্পর্কে জানতে চাইলে গ্রামের কৃষক মোঃ আব্দুল গফুর বলেন, দীর্ঘ ২৩/২৪ বছর ধরে গরু হাল দিয়ে চাষাবাদসহ আশপাশের লোকজনের জমি চাষ করে দেন। প্রতি বিঘায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা করে নেন। সেই সাথে বিগত দিনের কথা তুলে ধরেন। একটা সময় পরিবারের আয়ের উপার্জন হিসেবে ছিল তার গরুর হাল।
প্রতিনিয়ত দুই থেকে চার বিঘা জমি চাষ করতেন। শীতের দিনে ঘন কুয়াশায় হাল চাষের বিষয়ে কথা বলেন। আমরা একসাথে তিনজন মিলে হাল চাষ করতাম। ক্লান্তি ছিল না, হাল চাষের ফাঁকে ফাঁকে কেউ ভাওয়াইয়া গান, কেউবা হাসির গল্প, কেউবা পারিবারিক কাহিনী বলতেন। কিন্তু এখন আর সেইদিন গুলো নেই।
একই এলাকার দেলা মিয়া বলেন,ট্রাকটর, কলের হালের চাষাবাদ তার পছন্দনীয় হয় না, তিনি সেই অতীত দিনের কথা তুলে ধরেন। একই গরু দিয়ে জমি চাষাবাদ এবং সেই সব গরু দিয়ে গরু গাড়ি চালিয়ে গ্রামের এক প্রান্তর থেকে অন্য প্রান্তর বিভিন্ন সরাঞ্জম নিয়ে আসা, বিয়ের বাড়ি যেতেন। এখন আর সেই গরুর হালের চাহিদা হারিয়ে গিয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এখন কৌশলগত অংশীদারত্বে

Verified by MonsterInsights

বিজ্ঞানের উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে নীলফামারীতে হারিয়ে যাচ্ছে গরুর হাল

আপলোডের সময় : 09:22:45 pm, Sunday, 26 October 2025

 

নীলফামারীতে হারিয়ে যাচ্ছে গরুর হাল। একটা সময় জমি চাষাবাদের জন্য নির্ভরযোগ্য হলেও এটির ব্যবহার নেই বললেও চলে। তবে জেলার কিছু সংখ্যক পরিবার ধরে আছে ঐতিহ্যের গৌরব গরুর হাল।
সরেজমিনে এই হালের সম্পর্কে জানতে চাইলে গ্রামের কৃষক মোঃ আব্দুল গফুর বলেন, দীর্ঘ ২৩/২৪ বছর ধরে গরু হাল দিয়ে চাষাবাদসহ আশপাশের লোকজনের জমি চাষ করে দেন। প্রতি বিঘায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা করে নেন। সেই সাথে বিগত দিনের কথা তুলে ধরেন। একটা সময় পরিবারের আয়ের উপার্জন হিসেবে ছিল তার গরুর হাল।
প্রতিনিয়ত দুই থেকে চার বিঘা জমি চাষ করতেন। শীতের দিনে ঘন কুয়াশায় হাল চাষের বিষয়ে কথা বলেন। আমরা একসাথে তিনজন মিলে হাল চাষ করতাম। ক্লান্তি ছিল না, হাল চাষের ফাঁকে ফাঁকে কেউ ভাওয়াইয়া গান, কেউবা হাসির গল্প, কেউবা পারিবারিক কাহিনী বলতেন। কিন্তু এখন আর সেইদিন গুলো নেই।
একই এলাকার দেলা মিয়া বলেন,ট্রাকটর, কলের হালের চাষাবাদ তার পছন্দনীয় হয় না, তিনি সেই অতীত দিনের কথা তুলে ধরেন। একই গরু দিয়ে জমি চাষাবাদ এবং সেই সব গরু দিয়ে গরু গাড়ি চালিয়ে গ্রামের এক প্রান্তর থেকে অন্য প্রান্তর বিভিন্ন সরাঞ্জম নিয়ে আসা, বিয়ের বাড়ি যেতেন। এখন আর সেই গরুর হালের চাহিদা হারিয়ে গিয়েছে।