বগুড়ায় স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মৃত নারীর টাকা ও গহনা আত্মসাৎ !!

বগুড়ায় মৃত নারীর টাকা ও গহনা আত্মসাৎ করে ধরা পড়ার পর শেষ পর্যন্ত ফেরত দিতে বাধ্য হলেন স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জাহাঙ্গীর আলম । ​ এসআই জাহাঙ্গীর আলমের দুর্নীতির খতিয়ান দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। বারবার অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি তাকে আজ বেপরোয়া করে তুলেছে। সম্প্রতি স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৃত নারীর টাকা ও গহনা আত্মসাতের যে ন্যাক্কারজনক অভিযোগ উঠেছে, তা শুধু বিভাগীয় অপরাধ নয়, বরং চরম অমানবিকতা। ​জাহাঙ্গীর আলমের কিছু ‘স্মরণীয়’ কীর্তি: মৃতের সম্পদ চুরি:পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর রাতের অন্ধকারে জামিলনগরে শাজাহানের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী শামিমা বেগমের কাছে জব্দ তালিকাসহ মালামাল ফেরত দেন তিনি। ( শামিমার ভিডিও বক্তব্য এবং থানায় ফাঁকা রাখা জিডি’র কপি সংরক্ষিত) ​উভয় পক্ষ থেকে ঘুষ: শেরপুরের মির্জাপুর ইউনিয়নে অপহৃত উদ্ধারের নামে দুই পক্ষ থেকেই ২০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেওয়া। ​মিথ্যা মামলা ও অডিও কেলেঙ্কারি: আত্মহত্যাকারীর পরিবারকে প্রলুব্ধ করে সাজানো মামলা দেওয়া এবং আসামি ছেড়ে দেওয়ার নাম করে ঘুষ চাওয়ার অডিও রেকর্ড ফাঁস। এছাড়াও এলাকা থেকে জানা যায়, স্টেডিয়াম ফাঁড়ির পুলিশ আসামি ধরে এনে তা টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। আর যদি কোন দলের হয় তাহলে অভিযোগ গ্রহণ করে না। স্টেডিয়াম ফাঁড়ির পূর্ব দিকে মন্ডল পাড়ায় মাদকের সম্রাজ্য চলছে লোপেন্ডা ও ইয়াবা। প্রশাসন এসে শুধু ওয়ার্নিং দিয়ে টাকা নিয়ে চলে যায়। সেই দিকে কোন লক্ষ্য নেই প্রশাসনের বলে অভিযোগ উঠেছে। ওপেন ভাবে চলে মাদকের কারবার তার ভাগ পায় স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ি। কিন্তুু প্রশ্ন হলো, এসআই জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেই? টাকা- গহনা আর মোবাইল ফোন ফেরত দিলেই কি অপরাধ মাফ? একজন সাধারণ মানুষ চুরি করলে তাকে হাজতে যেতে হয়, অথচ আইনের পোশাক গাঁয়ে দিয়ে বারবার একই অপরাধ করার পরেও কেন এসআই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না ? মৃত মানুষের সম্পদ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে, তারা আর যাই হোক ‘জনগণের সেবক’ হতে পারে না। ভুক্তভোগী নারী বেঁচে নেই, কথা বলার কেউ নেই,এই সুযোগেই কি সব ধাঁমাচাপা? রক্ষক যখন ভক্ষক, তখন বিচার চাইবে কে? আইনের রক্ষক যখন অপরাধী, তখন ন্যায়বিচার কার কাছে চাইবে মানুষ? টাকা ফেরত নয়, দরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। নইলে এমন অপরাধ বারবারই ঘটবে। বিঃদ্রঃ- উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—বিভাগীয় তদন্তের নামে কালক্ষেপণ বন্ধ করুন এবং এই কলঙ্কিত পুলিশ সদস্যের বিচার নিশ্চিত করুন ।আর কত অপকর্ম করবেন এসআই জাহাঙ্গীর? যে সকল পুলিশ অফিসারের আশ্রয়- প্রশ্রয়ে এসআই জাহাঙ্গীর বেপরোয়া তাদের নামের তালিকাসহ বিস্তারিত আসছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

বগুড়ায় স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মৃত নারীর টাকা ও গহনা আত্মসাৎ !!

আপলোডের সময় : 03:01:52 am, Sunday, 28 December 2025

বগুড়ায় মৃত নারীর টাকা ও গহনা আত্মসাৎ করে ধরা পড়ার পর শেষ পর্যন্ত ফেরত দিতে বাধ্য হলেন স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জাহাঙ্গীর আলম । ​ এসআই জাহাঙ্গীর আলমের দুর্নীতির খতিয়ান দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। বারবার অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি তাকে আজ বেপরোয়া করে তুলেছে। সম্প্রতি স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মৃত নারীর টাকা ও গহনা আত্মসাতের যে ন্যাক্কারজনক অভিযোগ উঠেছে, তা শুধু বিভাগীয় অপরাধ নয়, বরং চরম অমানবিকতা। ​জাহাঙ্গীর আলমের কিছু ‘স্মরণীয়’ কীর্তি: মৃতের সম্পদ চুরি:পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর রাতের অন্ধকারে জামিলনগরে শাজাহানের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী শামিমা বেগমের কাছে জব্দ তালিকাসহ মালামাল ফেরত দেন তিনি। ( শামিমার ভিডিও বক্তব্য এবং থানায় ফাঁকা রাখা জিডি’র কপি সংরক্ষিত) ​উভয় পক্ষ থেকে ঘুষ: শেরপুরের মির্জাপুর ইউনিয়নে অপহৃত উদ্ধারের নামে দুই পক্ষ থেকেই ২০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেওয়া। ​মিথ্যা মামলা ও অডিও কেলেঙ্কারি: আত্মহত্যাকারীর পরিবারকে প্রলুব্ধ করে সাজানো মামলা দেওয়া এবং আসামি ছেড়ে দেওয়ার নাম করে ঘুষ চাওয়ার অডিও রেকর্ড ফাঁস। এছাড়াও এলাকা থেকে জানা যায়, স্টেডিয়াম ফাঁড়ির পুলিশ আসামি ধরে এনে তা টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। আর যদি কোন দলের হয় তাহলে অভিযোগ গ্রহণ করে না। স্টেডিয়াম ফাঁড়ির পূর্ব দিকে মন্ডল পাড়ায় মাদকের সম্রাজ্য চলছে লোপেন্ডা ও ইয়াবা। প্রশাসন এসে শুধু ওয়ার্নিং দিয়ে টাকা নিয়ে চলে যায়। সেই দিকে কোন লক্ষ্য নেই প্রশাসনের বলে অভিযোগ উঠেছে। ওপেন ভাবে চলে মাদকের কারবার তার ভাগ পায় স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ি। কিন্তুু প্রশ্ন হলো, এসআই জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেই? টাকা- গহনা আর মোবাইল ফোন ফেরত দিলেই কি অপরাধ মাফ? একজন সাধারণ মানুষ চুরি করলে তাকে হাজতে যেতে হয়, অথচ আইনের পোশাক গাঁয়ে দিয়ে বারবার একই অপরাধ করার পরেও কেন এসআই জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না ? মৃত মানুষের সম্পদ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে, তারা আর যাই হোক ‘জনগণের সেবক’ হতে পারে না। ভুক্তভোগী নারী বেঁচে নেই, কথা বলার কেউ নেই,এই সুযোগেই কি সব ধাঁমাচাপা? রক্ষক যখন ভক্ষক, তখন বিচার চাইবে কে? আইনের রক্ষক যখন অপরাধী, তখন ন্যায়বিচার কার কাছে চাইবে মানুষ? টাকা ফেরত নয়, দরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। নইলে এমন অপরাধ বারবারই ঘটবে। বিঃদ্রঃ- উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—বিভাগীয় তদন্তের নামে কালক্ষেপণ বন্ধ করুন এবং এই কলঙ্কিত পুলিশ সদস্যের বিচার নিশ্চিত করুন ।আর কত অপকর্ম করবেন এসআই জাহাঙ্গীর? যে সকল পুলিশ অফিসারের আশ্রয়- প্রশ্রয়ে এসআই জাহাঙ্গীর বেপরোয়া তাদের নামের তালিকাসহ বিস্তারিত আসছে।