গাইবান্ধা-১ আসনে ফলাফল বাতিল ও পুনঃভোটের দাবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে ফলাফল বাতিল ও পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সুন্দরগঞ্জ-১ আসনের ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০টি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা ভোট শুরুর আগেই ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেন। এছাড়া কিছু কিছু কেন্দ্রে এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে, যা পরিকল্পিত কারচুপির অংশ বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে তার দলের এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ সময় তিনি সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট উপস্থাপন করে ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে আসনটির সব কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাবুল আহমেদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান প্রামানিক, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ বাবু, উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সারা দেশে একযোগে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে এগিয়ে থাকেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

গাইবান্ধা-১ আসনে ফলাফল বাতিল ও পুনঃভোটের দাবি

আপলোডের সময় : 08:22:28 pm, Sunday, 15 February 2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে ফলাফল বাতিল ও পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন সুন্দরগঞ্জ-১ আসনের ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০টি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা ভোট শুরুর আগেই ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেন। এছাড়া কিছু কিছু কেন্দ্রে এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে, যা পরিকল্পিত কারচুপির অংশ বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে তার দলের এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ সময় তিনি সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট উপস্থাপন করে ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে আসনটির সব কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাবুল আহমেদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান প্রামানিক, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদ বাবু, উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সারা দেশে একযোগে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে এগিয়ে থাকেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।