ঈদের ২য় দিনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল

 

ঈদুল ফিতরের ছুটি উপভোগ করতে দেশের বৃহত্তম পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারে নেমেছে পর্যটকের ঢল। ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল থেকেই পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে পর্যটকরা ছুটে আসেন সমুদ্রের নীল জলরাশি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সৈকতের লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট, কলাতলী, ইনানীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। অনেক পর্যটককে সমুদ্রে গোসল করতে, বালুচরে খেলাধুলা করতে এবং ছবি তুলতে দেখা যায়। এছাড়া বিচ বাইক, ঘোড়ায় চড়া, স্পিডবোট ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রমেও অংশ নিতে দেখা গেছে পর্যটকদের।

হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট মালিকরা জানিয়েছেন, ঈদের আগেই অধিকাংশ আবাসিক হোটেলের কক্ষ বুকিং হয়ে যায়। ঈদের দ্বিতীয় দিনে পর্যটকের চাপ আরও বেড়ে যায়। ফলে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক ব্যস্ততা দেখা গেছে। রেস্টুরেন্টগুলোতেও পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, লাইফগার্ড ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে লাইফগার্ড কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন এবং পর্যটকদের গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সৈকত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।

পর্যটকরা জানান, দীর্ঘদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে পরিবারের সঙ্গে ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে এসে সময় কাটাতে পেরে তারা আনন্দিত। সমুদ্রের সৌন্দর্য, সূর্যাস্তের দৃশ্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ তাদের মুগ্ধ করেছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়া পর্যন্ত কক্সবাজারে পর্যটকের চাপ অব্যাহত থাকবে। এতে পর্যটন শিল্পে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

ঈদের ২য় দিনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল

আপলোডের সময় : 11:49:51 pm, Sunday, 22 March 2026

 

ঈদুল ফিতরের ছুটি উপভোগ করতে দেশের বৃহত্তম পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারে নেমেছে পর্যটকের ঢল। ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল থেকেই পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে পর্যটকরা ছুটে আসেন সমুদ্রের নীল জলরাশি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সৈকতের লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট, কলাতলী, ইনানীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। অনেক পর্যটককে সমুদ্রে গোসল করতে, বালুচরে খেলাধুলা করতে এবং ছবি তুলতে দেখা যায়। এছাড়া বিচ বাইক, ঘোড়ায় চড়া, স্পিডবোট ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রমেও অংশ নিতে দেখা গেছে পর্যটকদের।

হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট মালিকরা জানিয়েছেন, ঈদের আগেই অধিকাংশ আবাসিক হোটেলের কক্ষ বুকিং হয়ে যায়। ঈদের দ্বিতীয় দিনে পর্যটকের চাপ আরও বেড়ে যায়। ফলে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক ব্যস্ততা দেখা গেছে। রেস্টুরেন্টগুলোতেও পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, লাইফগার্ড ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে লাইফগার্ড কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন এবং পর্যটকদের গভীর সমুদ্রে না যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সৈকত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।

পর্যটকরা জানান, দীর্ঘদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে পরিবারের সঙ্গে ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে এসে সময় কাটাতে পেরে তারা আনন্দিত। সমুদ্রের সৌন্দর্য, সূর্যাস্তের দৃশ্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ তাদের মুগ্ধ করেছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়া পর্যন্ত কক্সবাজারে পর্যটকের চাপ অব্যাহত থাকবে। এতে পর্যটন শিল্পে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন।