ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র শবে বরাত পালিত

সাগর কুমার বাড়ই , খুলনাঃ ইবাদত বন্দেগি আর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হয়েছে।

হিজরী সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে মুসলমানরা শবেবরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করেন ।

এ রাত্রি লাইলাতুল বরাত হিসেবেও পরিচিত। পবিত্র শবে বরাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ রজনী।

এ রাতে মহান আল্লাহ তা’আলা তাঁর রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করে দেন।

পরম ক্ষমাশীল আল্লাহ তা’আলা এ রাতে পাপী বান্দাদের ক্ষমা করেন , জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন , এজন্য এ রাতকে লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত বলা হয়।

ইসলাম ধর্মে গুরুত্বপূর্ণ চারটি রাতের মধ্যে শবে বরাতের রাতই অন্যতম ।

এই রাতে পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দার জন্য রহমতের দরজা খুলে দেন।

পবিত্র শবে বরাতের রাতে পরম করুনাময় মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় নফল নামাজ , কোরআন তেলাওয়াত ও জিকিরে মগ্ন ছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

অতীতের সকল পাপ ও অন্যায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে মসজিদে মোনাজাতে মগ্ন ছিলেন।

কেউ কেউ মসজিদে আবার কেউ কেউ বাড়িতে থেকেই নফল নামাজ আদায়ের পাশাপাশি কোরআন তেলাওয়াত করেছেন।

অনেকে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেছেন।

সারাদেশেই মসজিদ গুলোতে ইবাদতের পাশাপাশি শবে বরাতের ফজিলত ও বিশেষত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন আলেম এবং ওলামায়ে একরামগণ।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দেশের সব মসজিদে মুসল্লিরা রাত জেগে ইবাদত বন্দেগী এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছেন।

এশার নামাজের পূর্ব থেকেই দলে দলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কারো হাতে জায়নামাজ আবার কারো হাতে তসবিসহ মসজিদের দিকে আসতে দেখা যায়।

দেশের বড় বড় মসজিদসহ শহরের এবং গ্রামের ছোট বড় সকল মসজিদেই একই অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।

সব মসজিদেই দেখা গেছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপচে পড়া ভিড়।

সারা রাত ইবাদতের পর ফজরের আগে অতীতের সকল পাপ ও অন্যায়ের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মোনাজাত করেছেন।

প্রতি বছরই মুসলমানদের কাছে পবিত্র রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে হাজির হয় পবিত্র শবে বরাত।

শবেবাতের পরেই আসে পবিত্র রমজান মাস। এ কারণেই শবেবরাত থেকেই মূলত মুসলমানদের রমজানের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র শবে বরাত পালিত

আপলোডের সময় : 03:44:06 pm, Monday, 26 February 2024

সাগর কুমার বাড়ই , খুলনাঃ ইবাদত বন্দেগি আর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হয়েছে।

হিজরী সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে মুসলমানরা শবেবরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করেন ।

এ রাত্রি লাইলাতুল বরাত হিসেবেও পরিচিত। পবিত্র শবে বরাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ রজনী।

এ রাতে মহান আল্লাহ তা’আলা তাঁর রহমতের দ্বার উন্মুক্ত করে দেন।

পরম ক্ষমাশীল আল্লাহ তা’আলা এ রাতে পাপী বান্দাদের ক্ষমা করেন , জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন , এজন্য এ রাতকে লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত বলা হয়।

ইসলাম ধর্মে গুরুত্বপূর্ণ চারটি রাতের মধ্যে শবে বরাতের রাতই অন্যতম ।

এই রাতে পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দার জন্য রহমতের দরজা খুলে দেন।

পবিত্র শবে বরাতের রাতে পরম করুনাময় মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় নফল নামাজ , কোরআন তেলাওয়াত ও জিকিরে মগ্ন ছিলেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

অতীতের সকল পাপ ও অন্যায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে মসজিদে মোনাজাতে মগ্ন ছিলেন।

কেউ কেউ মসজিদে আবার কেউ কেউ বাড়িতে থেকেই নফল নামাজ আদায়ের পাশাপাশি কোরআন তেলাওয়াত করেছেন।

অনেকে কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেছেন।

সারাদেশেই মসজিদ গুলোতে ইবাদতের পাশাপাশি শবে বরাতের ফজিলত ও বিশেষত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন আলেম এবং ওলামায়ে একরামগণ।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দেশের সব মসজিদে মুসল্লিরা রাত জেগে ইবাদত বন্দেগী এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছেন।

এশার নামাজের পূর্ব থেকেই দলে দলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কারো হাতে জায়নামাজ আবার কারো হাতে তসবিসহ মসজিদের দিকে আসতে দেখা যায়।

দেশের বড় বড় মসজিদসহ শহরের এবং গ্রামের ছোট বড় সকল মসজিদেই একই অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।

সব মসজিদেই দেখা গেছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপচে পড়া ভিড়।

সারা রাত ইবাদতের পর ফজরের আগে অতীতের সকল পাপ ও অন্যায়ের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মোনাজাত করেছেন।

প্রতি বছরই মুসলমানদের কাছে পবিত্র রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে হাজির হয় পবিত্র শবে বরাত।

শবেবাতের পরেই আসে পবিত্র রমজান মাস। এ কারণেই শবেবরাত থেকেই মূলত মুসলমানদের রমজানের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়।