
সিরাজগঞ্জের রতনকান্দি হাটজুড়ে ছিল হাজার হাজার গরু-ছাগলের সমাগম, কিন্তু ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে ছিল হতাশার সুর। বিক্রেতারা বলছেন, গত হাটের তুলনায় এবার দাম আরও কমেছে। অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, বিক্রেতারা এখনও বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারিরা তাদের লালন-পালন করা পশু নিয়ে ভোর থেকেই হাটে আসেন। ছোট-বড় গরু, ষাঁড় ও ছাগলে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় পুরো হাট। তবে লোকসমাগম বেশি হলেও সেই তুলনায় কেনাবেচা হয়নি আশানুরূপ।
বিক্রেতাদের দাবি, পশুখাদ্যের দাম, পরিবহন খরচ ও লালন-পালনের ব্যয় অনেক বেড়েছে। তাই কম দামে পশু বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে। অনেকেই জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় এই হাটে গরুর দাম আরও কমেছে, তবুও ক্রেতা মিলছে না।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে পশুর সরবরাহ অনেক বেশি হওয়ায় দাম আরও কম হওয়া উচিত। তাদের অভিযোগ, বিক্রেতারা এখনও চড়া দাম চাইছেন। ফলে দরদাম করেও অনেকেই পশু না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।
হাট সংশ্লিষ্টদের মতে, এবার সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে পশুর সরবরাহ ব্যাপক হওয়ায় বাজারে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শেষ মুহূর্তে বিক্রি বাড়বে এমন আশায় এখনও অনেক খামারি হাটে অবস্থান করছেন।
ঈদের আগের শেষ হাট হওয়ায় মানুষের ভিড়, মাইকিং আর পশুর ডাক মিলিয়ে পুরো হাটে ছিল উৎসবের আমেজ, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত বিক্রি না হওয়ায় খামারিদের চোখেমুখে ছিল দুশ্চিন্তার ছাপ।
মাহমুদুল হাসান শুভ, কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 























