
বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে ডেকে এনে মো: আব্দুস ছালাম (২০) নামের এক তরুণকে কৌশলে ঘরে আটকে রেখে মোবাইল ও মানিব্যাগ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরীর পরিবারের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার পেং (পশ্চিম পাড়া) গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজারকি (খন্দকার পাড়া) গ্রামের কিনু শেখের ছেলে আব্দুস ছালামের সাথে পেং (পশ্চিম পাড়া) গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে সুরভী আক্তারের (১৫) দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। পেশায় থাই-অ্যালুমিনিয়াম মিস্ত্রি ছালাম ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রায় ১ বছর আগে নাটোরের সিংড়া উপজেলার মৌগ্রামে সুরভীর বিয়ে হয়েছিল। তবে গত ১৫ দিন আগে বাবার বাড়িতে এসে প্রেমিক আব্দুস ছালামের সাথে পালিয়ে যায় সে এবং প্রথম স্বামীকে তালাক দেয়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে তারা এলাকায় ফিরে এলে একটি ঘরোয়া সালিশের আয়োজন করা হয়। সেখানে ছালাম আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে মেয়েটিকে তার বাবা নিজের জিম্মায় ফিরিয়ে নেন।
ঘটনার নতুন মোড় নেয় ১৭ আগস্ট সোমবার সকালে। সুরভীর বাবা রফিকুল ইসলাম ছালামের পরিবারকে বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে বাড়িতে আসার আহ্বান জানান। বিষয়টি সুরাহার উদ্দেশ্যে সকালে দই ও মিষ্টি নিয়ে সুরভীর বাড়িতে যান ছালাম। তবে অভিযোগ ওঠে, মেয়েপক্ষের লোকজন কৌশলে ছালামকে ঘরে ঢুকিয়ে আটকে রাখে এবং তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ কেড়ে নেয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও গুঞ্জন শুরু হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।