
গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ব্যাংক মাঠ বস্তিতে মাদক কারবারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আফরিনা ও তার মেয়ের জামাই রাসেলকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক মাঠ এলাকায় মাদক বিক্রির তৎপরতা চলে আসছে। একই সঙ্গে রাসেলের বিরুদ্ধে চোরাই মোবাইলের একটি সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, টঙ্গীর বিভিন্ন মাদক স্পটের মধ্যে ব্যাংক মাঠ এলাকাতেও মাদক বিক্রির কার্যক্রম বেশ জমজমাট। তাদের অভিযোগ, আফরিনা ও রাসেল মাদক সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। এ কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।
অভিযোগ রয়েছে, মাদক কারবারকে ঘিরে আফরিনার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। স্থানীয়দের দাবি, মেয়ের শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সদস্যদের সমন্বয়ে এলাকায় মাদক কারবার পরিচালিত হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ব্যাংক মাঠ বস্তিতে আফরিনাকে ঘিরে মাদক ব্যবসার অভিযোগের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই আফরিনা নামে থানায় একাধিক মামলা থাকার পরে গ্রেফতার করছে না প্রশাসন এলাকার বাসিন্দারা জানান একাধিকবার অভিযান চালানো পরে কোন আলাদিনের চেরাগের কারণে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হচ্ছে। সময়ের সাথে সাথে মাদকের ব্যবসা বৃদ্ধি পাচ্ছে ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা রাখছে ভিন্ন নামে এবং নিজের মেয়ের জামাই কে দামি উপহার দিয়েছেন যার বাজার মূল্য কয়েক লাখ টাকা।
এদিকে ২০২৬ সালের জুনে ব্যাংক মাঠ বস্তিতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ফেনসিডিল, গাঁজা ও দেশীয় মদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং ৪৬টি মোবাইল ফোন জব্দের তথ্য প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় এলাকায় মাদক ও চোরাই মোবাইলের কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, টঙ্গী পূর্ব থানার কাছাকাছি এলাকায় নিয়মিত মাদক বিক্রির অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?
এলাকাবাসীর দাবি, ব্যাংক মাঠ এলাকায় মাদক ও চোরাই মোবাইলের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে মাদক কারবার বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।