জাল দলিলের অভিযোগে বগুড়ায় দলিল লেখক ঝন্টু কারাগারে

বগুড়া সদর সাব-রেজিস্ট্রার অনিমেষ চন্দ্র পালের সহযোগী হিসেবে পরিচিত এবং বগুড়া সদর দলিল লেখক সমিতির সদস্য আমিনুর রহমান ঝন্টু জাল দলিল করার অভিযোগে গত কয়েক দিন ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন।

কারাগারে আটক ঝন্টুর সঙ্গে তার তৃতীয় স্ত্রী সাক্ষাৎ করতে এলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর তার আটকের বিষয়টি নিয়ে আদালতপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়।

জানা গেছে, আমিনুর রহমান ঝন্টু বগুড়া সদর ইসলামপুর (হরিগাড়ি) এলাকার মৃত জাহিদুল রহমানের ছেলে। তিনি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এর ৩০৭/২০২০ নম্বর এবং সদর স্পেশাল আদালতের ০৯/২০২৫ নম্বর মামলার ৪ নম্বর আসামি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝন্টুর বিরুদ্ধে জাল দলিলসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি একাধিক বিবাহ করেছেন এবং বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করেন বলেও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে আইন অনুযায়ী নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

জাল দলিলের অভিযোগে বগুড়ায় দলিল লেখক ঝন্টু কারাগারে

আপলোডের সময় : 09:52:24 pm, Sunday, 23 August 2026

বগুড়া সদর সাব-রেজিস্ট্রার অনিমেষ চন্দ্র পালের সহযোগী হিসেবে পরিচিত এবং বগুড়া সদর দলিল লেখক সমিতির সদস্য আমিনুর রহমান ঝন্টু জাল দলিল করার অভিযোগে গত কয়েক দিন ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন।

কারাগারে আটক ঝন্টুর সঙ্গে তার তৃতীয় স্ত্রী সাক্ষাৎ করতে এলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর তার আটকের বিষয়টি নিয়ে আদালতপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়।

জানা গেছে, আমিনুর রহমান ঝন্টু বগুড়া সদর ইসলামপুর (হরিগাড়ি) এলাকার মৃত জাহিদুল রহমানের ছেলে। তিনি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এর ৩০৭/২০২০ নম্বর এবং সদর স্পেশাল আদালতের ০৯/২০২৫ নম্বর মামলার ৪ নম্বর আসামি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝন্টুর বিরুদ্ধে জাল দলিলসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি একাধিক বিবাহ করেছেন এবং বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করেন বলেও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে আইন অনুযায়ী নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।