
ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে কথিত ‘ফিটিংবাজ’ ও অপহরণকারী চক্রের দুই নারীসহ পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ, মারধর এবং বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আশুলিয়ার জামগড়া ফকিরবাড়ি, ইউনিক, বাইপাইল বসুন্ধরা ও এরফান মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক পাঁচজনের মধ্যে দুই নারী ও তিনজন পুরুষ রয়েছেন। তারা কথিত ‘হানি টেপ’ কৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী মো: রাহাত শিকদারের অভিযোগ, তাকে মিথ্যা কথা বলে ফাঁদে ফেলে ডেকে নিয়ে অপহরণ করা হয়। পরে মারধর করে তার ব্যাংক হিসাব থেকে ৫৯ হাজার টাকা, বিকাশ থেকে ৪০ হাজার টাকা এবং নগদ থেকে ৮ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
রাহাত শিকদার বলেন, “মোছা: রিয়া আক্তার ও তার সহযোগীরা আমাকে অপহরণ করে মারধর করে বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা আদায় করেছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে রিয়াসহ পাঁচজনকে আটক করেছে।”
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ‘হানি টেপ’ ও অপহরণকারী চক্রের দুই নারী ও তিন পুরুষ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, চক্রটি সুন্দরী নারীদের ব্যবহার করে মোবাইল নম্বর ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে কথিত ‘ফিটিং’ করে অপহরণ এবং অর্থ আদায় করত বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা দীর্ঘদিন ধরে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিশেষ প্রতিনিধি 



















