ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেওয়া তরুণীকে বাঁচালেন পুলিশ সদস্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিমরাইলকান্দির শেখ হাসিনা সেতু থেকে তিতাস নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক তরুণীকে সাহসিকতার সঙ্গে জীবিত উদ্ধার করেছেন এক পুলিশ সদস্য। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া ২৪ বছর বয়সী ওই বিবাহিত নারীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাত ১২টার দিকে তাঁর মা ও বোনের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল অমিত হাসান তাঁর ব্যাচমেট কনস্টেবল মো. ফয়সাল ও ইফরান মাহমুদের সঙ্গে মঙ্গলবার রাতে সেতু এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। কনস্টেবল অমিত হাসানের বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে তাঁরা সেখানে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ ওই নারীকে সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখে অমিত হাসান তাৎক্ষণিকভাবে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে পারিবারিক কলহের জেরে ওই নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন। কনস্টেবল অমিত হাসানের দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই ওই নারীর প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেওয়া তরুণীকে বাঁচালেন পুলিশ সদস্য

আপলোডের সময় : 10:46:08 am, Wednesday, 26 August 2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিমরাইলকান্দির শেখ হাসিনা সেতু থেকে তিতাস নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক তরুণীকে সাহসিকতার সঙ্গে জীবিত উদ্ধার করেছেন এক পুলিশ সদস্য। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া ২৪ বছর বয়সী ওই বিবাহিত নারীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাত ১২টার দিকে তাঁর মা ও বোনের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল অমিত হাসান তাঁর ব্যাচমেট কনস্টেবল মো. ফয়সাল ও ইফরান মাহমুদের সঙ্গে মঙ্গলবার রাতে সেতু এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। কনস্টেবল অমিত হাসানের বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে তাঁরা সেখানে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ ওই নারীকে সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখে অমিত হাসান তাৎক্ষণিকভাবে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে পারিবারিক কলহের জেরে ওই নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন। কনস্টেবল অমিত হাসানের দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই ওই নারীর প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।