জামালপুরে ধানখেতে কীটনাশক দিতে গিয়ে সাপের কামড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ পৌরসভার বাণীকুঞ্জ এলাকায় শনিবার দুপুরে সাপের দংশনে মোতাহার (৫৫) নামের এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মৃত মোতাহার ওই এলাকার মৃত নইম উদ্দিনের ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে হার্ডওয়্যারের ব্যবসা করতেন। শনিবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে তিনি নিজের ধানখেতে কীটনাশক প্রয়োগ করতে যান। সেই সময় একটি বিষধর সাপ তার পায়ে দংশন করলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসক কামরুন্নাহার জানান, সাপে কাটা অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয় এবং শারীরিক অবস্থা দেখে বিষধর সাপের দংশন বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। জামালপুরে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় জামালপুর নেওয়ার পথে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়। পরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

জামালপুরে ধানখেতে কীটনাশক দিতে গিয়ে সাপের কামড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

আপলোডের সময় : 11:15:25 am, Sunday, 6 September 2026

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ পৌরসভার বাণীকুঞ্জ এলাকায় শনিবার দুপুরে সাপের দংশনে মোতাহার (৫৫) নামের এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মৃত মোতাহার ওই এলাকার মৃত নইম উদ্দিনের ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে হার্ডওয়্যারের ব্যবসা করতেন। শনিবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে তিনি নিজের ধানখেতে কীটনাশক প্রয়োগ করতে যান। সেই সময় একটি বিষধর সাপ তার পায়ে দংশন করলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসক কামরুন্নাহার জানান, সাপে কাটা অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয় এবং শারীরিক অবস্থা দেখে বিষধর সাপের দংশন বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। জামালপুরে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় জামালপুর নেওয়ার পথে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়। পরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।