
উপসাগরীয় দেশগুলোকে তাদের নিরাপত্তার জন্য কেবল যুক্তরাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক জোটের ওপর নির্ভর না করে স্বনির্ভর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হিলি ফোরামে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও নিরাপত্তার জন্য এগুলোই যথেষ্ট নয়।
মুখপাত্র আরও বলেন, মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন, তবে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য কেবল তাদের ওপর নির্ভর করা দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হতে পারে না। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়াই এখন সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র কার্যকর পথ।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কাতার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, আবার দেশটি ইরানের আক্রমণেরও শিকার হয়েছে। বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার ফলে হরমুজ প্রণালীতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং উভয় পক্ষই একে অপরের ওপর পাল্টা অবরোধ ও সামরিক চাপ প্রয়োগ করছে। এর আগে গত মাসে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে তেহরান সফর করেছিলেন।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- সবুজায়ন ও বৃক্ষরোপণে নতুন মাইলফলক অর্জন করছে কাতার।
- পাবলিক ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া ট্যাক্সি, লিমুজিন ও বাস চালানো নিষিদ্ধ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- মায়ের স্মরণে কাতারের আল খোরে মহিলাদের জন্য ফ্রি কোরআন হিফজ কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।
- কাতারে না জানিয়ে কারো ছবি বা ভিডিও ধারণ করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে।
- পারিবারিক পর্যটনে উপসাগরীয় অঞ্চলে শীর্ষে অবস্থান করছে কাতার।
- মানব পাচার রোধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে কাতার এবং গ্রীষ্মকালীন পর্যটনে সমুদ্র ভ্রমণ ও ওয়াটার স্পোর্টস জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
প্রতিনিধির নাম 
























