খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাৎ ও ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ৬ নম্বর ধাপেরহাট ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অনুমোদিত ডিলারের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণে অনিয়ম, ওজনে কম দেওয়া এবং চাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময় ও নিয়ম অনুযায়ী উপকারভোগীদের মাঝে চাল বিতরণ না করে ডিলার নিজেই চাল ক্রয় করে পরে তা গোপনে বিক্রি করছেন। এমনকি চাল বিতরণের সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখারও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এদিকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক উপকারভোগীকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ২৯ কেজি ১৬০ গ্রাম করে চাল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতি বস্তায় ৮৪০ গ্রাম করে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ৬০০-এর বেশি বস্তা চালের হিসাবে এভাবে বিপুল পরিমাণ চাল কম দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

অভিযোগ আরও রয়েছে, সরকারের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে অগ্রিম চাল উত্তোলন ও বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি চালের নির্ধারিত বস্তা উপকারভোগীদের না দিয়ে অন্য বস্তায় চাল সরবরাহ করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

স্থানীয় উপকারভোগীদের অভিযোগ, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধা যথাযথভাবে পাওয়ার কথা থাকলেও ডিলারের নানা অনিয়মের কারণে তারা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ চাল পাচ্ছেন না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারের
বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

Verified by MonsterInsights

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাৎ ও ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

আপলোডের সময় : 08:59:15 pm, Tuesday, 8 September 2026

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ৬ নম্বর ধাপেরহাট ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অনুমোদিত ডিলারের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণে অনিয়ম, ওজনে কম দেওয়া এবং চাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময় ও নিয়ম অনুযায়ী উপকারভোগীদের মাঝে চাল বিতরণ না করে ডিলার নিজেই চাল ক্রয় করে পরে তা গোপনে বিক্রি করছেন। এমনকি চাল বিতরণের সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখারও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

এদিকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক উপকারভোগীকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ২৯ কেজি ১৬০ গ্রাম করে চাল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতি বস্তায় ৮৪০ গ্রাম করে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ৬০০-এর বেশি বস্তা চালের হিসাবে এভাবে বিপুল পরিমাণ চাল কম দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

অভিযোগ আরও রয়েছে, সরকারের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করে অগ্রিম চাল উত্তোলন ও বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি চালের নির্ধারিত বস্তা উপকারভোগীদের না দিয়ে অন্য বস্তায় চাল সরবরাহ করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

স্থানীয় উপকারভোগীদের অভিযোগ, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধা যথাযথভাবে পাওয়ার কথা থাকলেও ডিলারের নানা অনিয়মের কারণে তারা কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ চাল পাচ্ছেন না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারের
বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।